অবশেশে মুখ খুললেন যশ নুসরাত কে নিয়ে

গত বুধবার ভারতীয় জনতা পার্টির পতাকা হাতে তুলে নিয়েছেন যশ দাশগুপ্ত। এরপর তিনি বলেছিলেন নুসরাতের সঙ্গে তাঁর ‘বন্ধুত্ব’ ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির সূত্রে। দু’জনের ভিন্ন দুই দলে থাকাটা তাতে কোনোরকম প্রভাব ফেলবে না। তাঁরা একসঙ্গে ছবিও করবেন। একই প্রসঙ্গে যশ টেনে এনেছিলেন আরো এক বন্ধু-নায়িকা এবং তৃণমূল সাংসদ মিমি চক্রবর্তীর কথাও।

অবশেশে মুখ খুললেন যশ নুসরাত কে নিয়ে

এদিকে আবার অক্ষয় কুমার পরিচিত বিজেপি ঘনিষ্ঠ হিসেবে। অন্যদিকে তার স্ত্রী টুইঙ্কল খন্না বিজেপিকে কটাক্ষ করে নানা সময় তাঁর মতামত জানান। তাহলে কি অক্ষয়-টুইঙ্কলের মতো ভিন্ন মতাদর্শ নিয়েই শান্তিপূর্ণ সহবাসে থাকবেন যশ-নুসরাত? যশের স্পষ্ট উত্তর, এ ক্ষেত্রে সে কথা বলা ঠিক হবে না। অক্ষয় কুমার এবং টুইঙ্কল খন্না বিবাহিত। আমি এবং নুসরাত তা নই।

আনন্দবাজারের খবরে বলা হয়, নুসরাতের সঙ্গে একই দলে থাকতে ইচ্ছুক ছিলেন যশ। সেই আশা নিয়ে সাংসদ বান্ধবীকে নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতার সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু নিরাশ হয়ে ফিরতে হয় অভিনেতাকে। তবে ‘দিদি’র আশীর্বাদ নিয়েই রাজনীতির ময়দানে নামেন যশ। কিন্তু প্রথম দিনে মমতার বিরোধিতা করতে তিনি পিছপা হননি। 

অভিনেতা যশের দাবি, পশ্চিমবঙ্গে পর্যাপ্ত কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা না থাকায়, এ রাজ্যের ছেলেমেয়েদের রোজগারের তাগিদে অন্য রাজ্যে চলে যাওয়ার কথা ভাবছে। বাংলায় আরো উন্নত পরিকাঠামো এবং বাণিজ্যের প্রয়োজন। সেগুলো এলেই প্রকৃত ‘সোনার বাংলা’ গড়ে উঠবে বলে অভিমত অভিনেতার। আর নরেন্দ্র মোদির দেখানো রাস্তাতেই ‘সোনার বাংলা’য় ফসল ফলবে বলে তাঁর বিশ্বাস। 

সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা ।