অবশেষে জীবননগরের আন্দুলবাড়িয়া হাইস্কুলের এমএলএসএস/পরিচ্ছন্নতা কর্মী নিয়োগ পরীক্ষা বন্ধ হল

অবশেষে চুয়াডাঙ্গার জীবননগরের আন্দুলবাড়িয়া হাইস্কুলের বহুল বিতর্কিত আলোচিত-সমালোচিত এমএলএসএস/পরিচ্ছন্নতা কর্মী পদে নিয়োগ পরীক্ষা বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। অভিযোগ উঠেছে সাড়ে ১০ লাখ টাকার বিনিময়ে অন্য আবেদনকারীদের কে টপকে অবৈধ উপায়ে জীবননগর উপজেলার নিশ্চিন্তপুর গ্রামের আ.গফুরের ছেলে মনিরুল ইসলাম মনিরকে নিয়োগ দেয়ার পাকা বন্দোবস্ত করে ফেলেছিল স্কুল কর্তৃপক্ষ বা স্কুল পরিচালনা কমিটি।

অবশেষে জীবননগরের আন্দুলবাড়িয়া হাইস্কুলের এমএলএসএস/পরিচ্ছন্নতা কর্মী নিয়োগ পরীক্ষা বন্ধ হল
গোপন লেনদেনের বিষয়টি কিভাবে যেন জেনে যায় চুয়াডাঙ্গায় কর্মরত কয়েকজন মিডিয়া কর্মী। ফলশ্রুতিতে অবৈধভাবে গোপন নিয়োগ প্রদান বিষয়ে সংবাদ পরিবেশিত হয় কয়েকটি পত্রিকায়। যার ফলে অবাধারিতভাবে বুধবার সকাল ১১ টায় চুয়াডাঙ্গার ভিজে স্কুলের নিয়োগ বোর্ড স্থগিত করা হয়। এ ব্যাপারে আন্দুলবাড়িয়া হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক মুমতাজ আহমেদ ও পরিচালনা কমিটির সভাপতি শেখ শফিকুল ইসলাম মোক্তার স্বাক্ষরিত পত্রে অনিবার্য কারনে উক্ত নিয়োগ পরীক্ষা বন্ধ করার কথা বলা হয়েছে। 
এলাকায় গুঞ্জন উঠেছে স্কুলের সভাপতি শফিকুল ইসলাম মোক্তার আলোচিত নিয়োগ দানের জন্য নিশ্চিন্তপুরের মনিরুলের কাছ থেকে দু'দফায় সাড়ে ১০ লাখ টাকা নিয়েছেন। এই অবৈধ নিয়োগ সম্পন্ন করতে অতি গোপনে সংশ্লিষ্ট স্কুল বাদ দিয়ে চুয়াডাঙ্গা ভিজেস্কুলে ৩ ফেব্রুয়ারী বুধবার নিয়োগের নাটক মঞ্চস্থ করবেন। যদিও আপাততঃ বন্ধ হলো আলোচিত নিয়োগ প্রক্রিয়া, তবে আবারও গোপনে সেটি যে কোন মূল্যে বাস্তবায়ন করা হবে মর্মে আশংকা করছেন এলাকার সূধী মহল। তাই তাদের দাবী অবিলম্বে আলোচিত মনিরুলকে উক্ত স্কুলে কালো তালিকা ভূক্ত ঘোষনা এবং পক্ষপাতদুষ্ট  অবৈধ নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল করে নতুন করে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি জারী করা হোক।