করোনায় চাকরিচ্যুত, ঝালমুড়ি বিক্রি করেই চলে আবু তালেবের সংসার

আবু তালেব থাকেন রাজধানীর মগবাজার পেয়ারা বাগ এলাকায়। বাড়ি নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও। তিনি একটি বেসরকারি কোম্পানির চাকরি করতেন। করোনা মহামারির কারণে চাকরিচ্যুত হন। চাকরি হারিয়ে দিশেহারা হয়ে যান তিনি। অবশেষ ঝালমুড়ি বিক্রি করেই চলছে তার সংসার। রাজধানীর মগবাজার ওয়ারলেস গেট দুই রেললাইনের মাঝের ফাঁকা জায়গায় ঝালমুড়ি বিক্রি করতে দেখা যায় আবু তালেবকে। তার সাথে দীর্ঘ সময় […]

করোনায় চাকরিচ্যুত, ঝালমুড়ি বিক্রি করেই চলে আবু তালেবের সংসার

আবু তালেব থাকেন রাজধানীর মগবাজার পেয়ারা বাগ এলাকায়। বাড়ি নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও। তিনি একটি বেসরকারি কোম্পানির চাকরি করতেন। করোনা মহামারির কারণে চাকরিচ্যুত হন। চাকরি হারিয়ে দিশেহারা হয়ে যান তিনি। অবশেষ ঝালমুড়ি বিক্রি করেই চলছে তার সংসার।

রাজধানীর মগবাজার ওয়ারলেস গেট দুই রেললাইনের মাঝের ফাঁকা জায়গায় ঝালমুড়ি বিক্রি করতে দেখা যায় আবু তালেবকে। তার সাথে দীর্ঘ সময় কথা হয় এই প্রতিবেদকের।

পেয়ারা বাগে একটি রুমেই তিন সন্তানসহ পাঁচ জনের বসবাস। দীর্ঘ ১৪ বছর যেই কোম্পানিতে চাকরি করতেন করোনার কারণে কাজ না থাকার কারণে চাকরি চলে যায় তার। এখন ঝালমুড়ি বিক্রি করেই সন্তানদের পড়ালেখা ও সংসার খরচ চলে আবু তালেবের।

বিকেল ৫টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত মুড়ি বিক্রি করেন তিনি। যেদিন ভালো বিক্রি হয় সেদিন দুই থেকে আড়াই হাজার টাকার মতো বিক্রি হয়। আবার যখন মোটামুটি হয় ১৩ থেকে ১৪ শ টাকা বিক্রি হয়; বলেন আবু তালেব।

এখানে বসার জন্য কতকটা দিতে হয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, ১৭০ টাকা দিতে হয়। কয়জনে এই টাকা নেয়? তিনি বলেন, চার জনকে দিতে হয় এই টাকা।

এই টাকা কাকে দিতে হয় জানতে চাইলে এই মুড়ি বিক্রেতা বলেন, ‘মামা এটা সবাই জানে। বলা যাবে না তাদের বিরুদ্ধে কিছু লেইখেন না। তাহলে আমারে এহানে বইতে দিব না।’

তিনি বলেন, এতো টাকা রোড খরচ দিয়ে পোশায় না। তাই আর কিছু দিন ব্যবসা করে পরবর্তীতে গ্রামে চলে যাবেন বলে জানান তিনি।