কাজী আরেফসহ পাঁচ জাসদ নেতা হত্যার ২২তম বার্ষিকী পালন

বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক জাসদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কাজী আরেফ আহমেদসহ পাঁচ জাসদ নেতা হত্যার ২২তম বার্ষিকী পালিত হয়েছে।

কাজী আরেফসহ পাঁচ জাসদ নেতা হত্যার ২২তম বার্ষিকী পালন
ছবি : স্মরণ সভা

কাজী আরেফ পরিষদ ও শহীদ ইয়াকুব আলী স্মৃতি সংসদসহ বিভিন্ন সংগঠন বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করে। এ উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টায় দৌলতপুর ফিলিপনগর পিএম কলেজ চত্বরে শহীদ ইয়াকুব আলীর কবরে জাসদ নেতৃবৃন্দ, শহীদ ইয়াকুব আলী স্মৃতি সংসদ ও বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন সংগঠন পুষ্পমাল্য অর্পন করেন। এরপর পিএম কলেজ চত্বরে আয়োজিত স্মরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, কুষ্টিয়া-১ দৌলতপুর আসনের সংসদ সদস্য এ্যাড. আ. কা. ম. সরওয়ার জাহান বাদশাহ্। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আলীম স্বপন ও দৌলতপুর উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাড. এজাজ আহমেদ মামুন। 

শহীদ ইয়াকুব আলী স্মৃতি ট্রাষ্টের সভাপতি শরিফুল কবির স্বপনের সভাপতিত্বে স্মরণ সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, ফিলিপনগর ইউপি চেয়ারম্যান ফজলুল হক কবিরাজ, দৌলতপুর জাসদের সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুর রহমান ও শহীদ ইয়াকুব আলীর ছেলে ইউসুফ আলী রুশোসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় সুধীজন। 

উলে¬খ্য, ১৯৯৯ সালের ১৬ ফেব্রæয়ারী বিকেলে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার আড়িয়া ইউনিয়নের কালিদাসপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে সন্ত্রাস বিরোধী এক জনসভায় মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক জাসদ সভপাতি কাজী আরেফ আহমেদ, জেলা জাসদের সভাপতি লোকমান হোসেন, সাধারন সম্পাদক এ্যাড. ইয়াকুব আলী, স্থানীয় জাসদ নেতা ইসরাইল হোসেন ও শমসের মন্ডল সন্ত্রাসীদের এলোপাতাড়ি গুলিতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন। হত্যাকান্ডের ঘটনায় সে সময় দেশজুড়ে ব্যাপক তোলপাড় ও আলোড়ন সৃষ্টি হয়।