খুলনা বিভাগে করোনা আক্রান্ত ২৫ হাজার ছাড়াল, মৃত্যু ৪৪৫

খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৩৩ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে বিভাগে কোভিড-১৯ রোগীর সংখ্যা ২৫ হাজার ছাড়িয়েছে। একই সময়ে বিভাগে করোনা থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১২ জন। ফলে, বিভাগে করোনা থেকে মোট সুস্থ হওয়া মানুষের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৩ হাজার ৮৬৬। মৃত্যুর দিক থেকে বিভাগে খুলনা জেলাই শীর্ষে। জেলায় এখন পর্যন্ত ১১৫ জন করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

খুলনা বিভাগে করোনা আক্রান্ত ২৫ হাজার ছাড়াল, মৃত্যু ৪৪৫
ছবিঃ সংগৃহীত

শনাক্ত বিবেচনায় বিভাগে সুস্থতার হার ৯৫ শতাংশের কিছু বেশি। খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক রাশেদা সুলতানা সোমবার (৪ জানুয়ারি) এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতর সূত্র জানায়, বিভাগে রোববার সকাল ৮টা থেকে সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে কোভিড-১৯ আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ২৯২তম দিনে বিভাগে মোট মৃত্যুর সংখ্যা এ পর্যন্ত ৪৪৫। মৃত্যুর হার প্রায় ১ দশমিক ৭৮ শতাংশ।

সূত্র আরও জানায়, খুলনা বিভাগের মধ্যে চুয়াডাঙ্গায় প্রথম কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হয় গত ১৯ মার্চ। ৩ জুলাই ১০৭তম দিনে এসে বিভাগে রোগীর সংখ্যা ৫ হাজার অতিক্রম করে। ২৩ জুলাই ১২৭তম দিনে রোগী ১০ হাজার এবং ১২ আগস্ট ১৪৭তম দিনে কোভিড-১৯ রোগীর সংখ্যা ১৫ হাজার ছাড়ায়। ৫ অক্টোবর ২০১তম দিনে শনাক্তের সংখ্যা ২২ হাজার ছাড়ায়। গত ১৮ নভেম্বর ২৪৫তম দিনে রোগীর সংখ্যা পৌঁছায় ২৩ হাজারে। গত ১২ ডিসেম্বর ২৬৯তম দিনে রোগীর সংখ্যা সাড়ে ২৪ হাজার ছাড়ায়। ২৯২তম দিনে (৪ জানুয়ারি) রোগীর সংখ্যা ২৫ হাজার ৭৮ জন।

বিভাগের মধ্যে সাতক্ষীরায় করোনায় একজন মারা গেছেন। এ পর্যন্ত মৃতদের মধ্যে খুলনায় ১১৫ জন, কুষ্টিয়ায় ৮৬, যশোরে ৫৫, ঝিনাইদহে ৪০, চুয়াডাঙ্গায় ৩৯, সাতক্ষীরায় ৩২, বাগেরহাটে ২৬, নড়াইলে ২০, মাগুরা ও মেহেরপুরে ১৬ জন করে রয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতর সূত্র জানায়, বিভাগে এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৭ হাজার ১৯২ জন রোগী শুধু খুলনা জেলায় শনাক্ত হয়েছেন। এছাড়া বাগেরহাটে ১ হাজার ৩৮ জন, চুয়াডাঙ্গায় ১ হাজার ৬৪৬, যশোরে ৪ হাজার ৬৪২, ঝিনাইদহে ২ হাজার ২৯২, কুষ্টিয়ায় ৩ হাজার ৭৮৩, মাগুরায় ১ হাজার ৫১, মেহেরপুরে ৭৫২, নড়াইলে ১ হাজার ৫২৬ ও সাতক্ষীরায় ১ হাজার ১৫৬ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে।

এ ব্যাপারে রাশেদা সুলতানা বলেন, খুলনা বিভাগে করোনা সংক্রমণের গতি বাড়ছে। সবাইকে সচেতনতার পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। তাহলে সংক্রমণ কমে আসবে।