গলাব্যথা দূর নিমিষেই

সিজন চেঞ্জ এ গলা ব্যথার সমস্যা অনেকেরই হয়। এছাড়াও অনেকের টনসিলের সমস্যা থাকে। তাদের একটু ঠান্ডা-গরমেই গলা ব্যাথার সমস্যা হয়। সমস্যা হলো—জ্বর নেই, কফ বের হওয়া নেই, বুকে ঘড়ঘড় নেই, কিন্তু খুকখুক কাশি। বিরক্তিকর ও যন্ত্রণাদায়ক একটি ব্যাপার। কাশির সঙ্গে কখনো কফ বেরোয় না, কিন্তু একটা অস্বস্তি গলায়-বুকে লেগেই থাকে।খুব সহজে আমরা ঘরোয়া কিছু নিয়ম এবং খাদ্যাভাসের মাধ্যমে গলা ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে পারি। আদা চা: ৫-৬ টুকরা আদাকুচি, ২-৩টা এলাচ, লবঙ্গ, গোলমরিচ পানিতে দিয়ে ভালো করে ফুটিয়ে এরপর চাপাতা যোগ করতে হবে। এই চা গলাব্যথা দূর করতে খুব কার্যকরি। গ্রিন-টি: গ্রিন-টি আদা কুচি আর পানির সঙ্গে ফুটিয়ে সামান্য লেবুর রস যোগ করে খেতে পারেন। গ্রিন-টিতে বিদ্যমান আ্যন্টিঅক্সিডেন্ট গলা ব্যথা সারায়।

গলাব্যথা দূর নিমিষেই

আদার রস: দিনে ৪-৫ বার আদা কুচি ফুটিয়ে ১ কাপ রস, ২ চা চামচ লেবুর রস ও ১ চা চামচ মধু যোগ করে খাওয়া যেতে পারে। আদায় বিদ্যমান আ্যন্টিইনফ্ল্যামেটরি উপাদান ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।

লেবু-মধু পানি: দিনে ২-৩ বার কুসুম গরম পানিতে লেবুর রস, মধু যোগ করে খাওয়া যেতে পারে।

হলুদ-দুধ: কয়েক টুকরা কাঁচা হলুদ ১ গ্লাস দুধের সঙ্গে ফুটিয়ে হলুদ-দুধ খেতে পারেন সকালে কিংবা রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে। হলুদে বিদ্যমান আ্যন্টিব্যাকটেরিয়াল ও আ্যন্টিইনফ্ল্যামেটরি উপাদান গলাব্যথা, গলা বসে যাওয়া কমাতে খুব কার্যকরি।
এছাড়াও দিনে ২-৩ বার কুসুম গরম পানিতে লবণ মিশিয়ে গড়গড়া করতে পারেন।

খুসখুস কাশি যখন ধূমপানে : খুসখুসে কাশির একটি অন্যতম প্রধান কারণ হলো ধূমপান করা। তাই যদি খুসখুসে কাশিতে আক্রান্ত রোগী হন তাহলে আজই ধূমপানকে না বলুন। ওষুধ কোনো কাজেই আসবে না যদি ধূমপান না ছাড়েন। ধূমপায়ীদের স্মোকার কফ হয়। তামাক শ্বাসঝিল্লিকে ক্রমাগত ব্যাহত করছে বলেই কাশি উঠছে। শীতকালে তীব্রতা বেড়ে যায়।

কাশি দীর্ঘমেয়াদি হলে, ঘুম ভেঙে গেলে, কাশতে কাশতে হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে পড়লে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন।