জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামের উইকেট দেখে হতাশ ডোমিঙ্গো

দেশে একগাদা স্পিনার নিয়ে সফল হলেও দেশের বাইরে ফাস্ট বোলিংটা সমৃদ্ধ করতে না পারলে সাফল্যের দেখা পাওয়া খুব কঠিন। এ সত্য উপলব্ধি থেকেই।তিনি ভেতরে ভেতরে এই ডিপার্টমেন্টটাকে শক্তিশালী করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। একাদশে তিনজন তো অবশ্যই, পারলে ৪ জন পেসার খেলাতেও রাজি রাসেল ডোমিঙ্গো। এটাও ঠিক। এখন আগের দিন আর নেই। ডোমিঙ্গোর হাতে এখন তাসকিন আহমেদ, আবু জায়েদ রাহি, ইবাদত হোসেন, খালিদ আহমেদ, হাসান মাহমুদের মত দ্রুতগতির বোলার আছেন। সাথে কাটার মাস্টার মোস্তাফিজুর রহমান তো আছেনই। বাঁহাতি পেসারদের প্রকৃতিগত কৌণিক ডেলিভারির পাশাপাশি খেটে খুটে আজকাল অনেক বল ভেতরে আনার ক্ষমতাও রপ্ত করেছেন মোস্তাফিজ। খুব স্বাভাবিকভাবেই একজন দক্ষিণ আফ্রিকান হিসেবে ডোমিঙ্গো দলে পেসারদের প্রাধাণ্য চান। এটাও ঠিক, টেস্টে উন্নতি করতে হলে পেস বোলিং ডিপার্টমেন্ট সমৃদ্ধ করার বিকল্প নেই। তাই এবার ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজের অনভিজ্ঞ ব্যাটিং লাইনআপের বিপক্ষে ওয়ানডের মত টেস্টেও পেসারদের আধিক্যে একাদশ সাজানোর চিন্তায় ছিলেন টাইগার হেড কোচ। কমপক্ষে তিনজন, পারলে ৪ জন পেসারও খেলানোর পরিকল্পনা ছিল এই দক্ষিণ আফ্রিকানের। কিন্তু খেলালেই কি হবে? উইকেটেও তো পেসারদের জন্য কিছু থাকতে হবে। সিরিজের প্রথম টেস্ট হবে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে। সেখানকার উইকট দেখে রীতিমত হতাশ টাইগার হেড কোচ। আশায় ছিলেন সবুজে মোড়া ফাস্ট, বাউন্সি উইকেটের। কিন্তু এসে দেখেন নির্জীব ও মরা পিচ। তার অনুভব ও উপলব্ধি, ‘এ উইকেটে বাড়তি পেসার খেলানোর কোনই যৌক্তিকতা নেই।’ সে কারণেই সম্ভবত নিজের অবস্থান বদলের কথা ভাবতে হচ্ছে এ প্রোটিয়াকে। সাগরিকার পিচ বলছে এ উইকেটে পেস বোলারদের বাড়তি কিছু করা কঠিন। এখন তিন পেসার খেলানোর চিন্তাই তো মাথার পাশ দিয়ে ঘুরে চলে যাচ্ছে ডোমিঙ্গোর, এই উইকেটে চারজন তো ‘অলীক’ কল্পনা! এআরবি/এমএমআর/এমএস

জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামের উইকেট দেখে হতাশ ডোমিঙ্গো

দেশে একগাদা স্পিনার নিয়ে সফল হলেও দেশের বাইরে ফাস্ট বোলিংটা সমৃদ্ধ করতে না পারলে সাফল্যের দেখা পাওয়া খুব কঠিন। এ সত্য উপলব্ধি থেকেই।তিনি ভেতরে ভেতরে এই ডিপার্টমেন্টটাকে শক্তিশালী করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

একাদশে তিনজন তো অবশ্যই, পারলে ৪ জন পেসার খেলাতেও রাজি রাসেল ডোমিঙ্গো। এটাও ঠিক। এখন আগের দিন আর নেই। ডোমিঙ্গোর হাতে এখন তাসকিন আহমেদ, আবু জায়েদ রাহি, ইবাদত হোসেন, খালিদ আহমেদ, হাসান মাহমুদের মত দ্রুতগতির বোলার আছেন। সাথে কাটার মাস্টার মোস্তাফিজুর রহমান তো আছেনই।

বাঁহাতি পেসারদের প্রকৃতিগত কৌণিক ডেলিভারির পাশাপাশি খেটে খুটে আজকাল অনেক বল ভেতরে আনার ক্ষমতাও রপ্ত করেছেন মোস্তাফিজ। খুব স্বাভাবিকভাবেই একজন দক্ষিণ আফ্রিকান হিসেবে ডোমিঙ্গো দলে পেসারদের প্রাধাণ্য চান। এটাও ঠিক, টেস্টে উন্নতি করতে হলে পেস বোলিং ডিপার্টমেন্ট সমৃদ্ধ করার বিকল্প নেই।

তাই এবার ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজের অনভিজ্ঞ ব্যাটিং লাইনআপের বিপক্ষে ওয়ানডের মত টেস্টেও পেসারদের আধিক্যে একাদশ সাজানোর চিন্তায় ছিলেন টাইগার হেড কোচ। কমপক্ষে তিনজন, পারলে ৪ জন পেসারও খেলানোর পরিকল্পনা ছিল এই দক্ষিণ আফ্রিকানের।

কিন্তু খেলালেই কি হবে? উইকেটেও তো পেসারদের জন্য কিছু থাকতে হবে। সিরিজের প্রথম টেস্ট হবে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে। সেখানকার উইকট দেখে রীতিমত হতাশ টাইগার হেড কোচ।

আশায় ছিলেন সবুজে মোড়া ফাস্ট, বাউন্সি উইকেটের। কিন্তু এসে দেখেন নির্জীব ও মরা পিচ। তার অনুভব ও উপলব্ধি, ‘এ উইকেটে বাড়তি পেসার খেলানোর কোনই যৌক্তিকতা নেই।’

সে কারণেই সম্ভবত নিজের অবস্থান বদলের কথা ভাবতে হচ্ছে এ প্রোটিয়াকে। সাগরিকার পিচ বলছে এ উইকেটে পেস বোলারদের বাড়তি কিছু করা কঠিন। এখন তিন পেসার খেলানোর চিন্তাই তো মাথার পাশ দিয়ে ঘুরে চলে যাচ্ছে ডোমিঙ্গোর, এই উইকেটে চারজন তো ‘অলীক’ কল্পনা!

এআরবি/এমএমআর/এমএস