‘টাকা যার টিকা তার, এই নীতি মানি না’

টাকা যার শিক্ষা তার, এই নীতি যেমন মানি না, ঠিক তেমনি টাকা যার, টিকা তার এই নীতিও মানি না বলে মন্তব্য করেছেন বাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য কমরেড রাজেকুজ্জামান রতন। শুক্রবার (২২ জানুয়ারি) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন। রাজেকুজ্জামান রতন বলেন, ‘সারাবিশ্বের প্রায় ২০ কোটি মানুষ করোনায় আক্রান্ত। করোনা মোকাবিলায় যেখানে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াই করছে, সেখানে বাংলাদেশে কে আগে টিকা পাবে, কোন দল আগে পাবে এসব বিষয়ে কথার লড়াই চলছে। আবার টাকার বিনিময় টিকা দেয়ার কথাও শোনা যাচ্ছে। টাকার বিনিময়ে করোনার টিকা কোনোভাবেই কাম্য নয়।’ তিনি বলেন, ‘দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে দুই ধরনের দীনতা বিরাজ করছে। একদিকে রাষ্ট্র ক্রমাগত তাদের বরাদ্দ কমিয়ে দিচ্ছে, আরেকদিকে শিক্ষার পরিবেশটাকে পেশিশক্তি দ্বারা দমন করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এভাবেই বিশ্ববিদ্যালয়গুলেতে যৌবনের শক্তিকে দমন করে রাখা হচ্ছে।’ গবেষণার দিকে দৃষ্টিপাত করে তিনি বলেন, ‘অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় সস্তায় করোনার টিকা আবিষ্কার করেছে। এর মধ্যে বৃটেনের জনগণ ১৩০ কোটি পাউন্ড অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়কে দিয়েছে। অন্যদিকে আমাদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাগারগুলোকে বন্ধ করে রাখা হয়েছে।’ শিক্ষার গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম ও পুঁজিবাদী সমাজব্যবস্থার পতন ও সমাজতান্ত্রিক সমাজ গঠনের জন্য বৈপ্লবিক ছাত্র সংগ্রাম বিকাশের পরিপূরক শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দেশব্যাপী ছাত্র আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বানও জানান তিনি। সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সভাপতি আল কাদেরী জয়ের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন প্রিন্সের সঞ্চালনায় সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন বাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য বজলুর রশিদ ফিরোজ, ছাত্রফ্রন্ট ঢাবি শাখার সাধারণ সম্পাদক রাজীব কান্তি রায়, জাবি শাখার আহ্বায়ক শোভন রহমান প্রমুখ। সমাবেশ থেকে বক্তারা বিভিন্ন দাবি তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে- ১. করোনাকারে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বেতন-ফি মওকুফ করা।২. শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ-সাম্প্রদায়িকীকরণ বন্ধ করা।৩. সকল নাগরিককে বিনামূল্যে টিকা দেয়া।৪. অবিলম্বে ক্যাম্পাস খুলে দেয়া। সমাবেশ শেষে চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ইএ/এমএস

‘টাকা যার টিকা তার, এই নীতি মানি না’

টাকা যার শিক্ষা তার, এই নীতি যেমন মানি না, ঠিক তেমনি টাকা যার, টিকা তার এই নীতিও মানি না বলে মন্তব্য করেছেন বাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য কমরেড রাজেকুজ্জামান রতন। শুক্রবার (২২ জানুয়ারি) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

রাজেকুজ্জামান রতন বলেন, ‘সারাবিশ্বের প্রায় ২০ কোটি মানুষ করোনায় আক্রান্ত। করোনা মোকাবিলায় যেখানে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াই করছে, সেখানে বাংলাদেশে কে আগে টিকা পাবে, কোন দল আগে পাবে এসব বিষয়ে কথার লড়াই চলছে। আবার টাকার বিনিময় টিকা দেয়ার কথাও শোনা যাচ্ছে। টাকার বিনিময়ে করোনার টিকা কোনোভাবেই কাম্য নয়।’

তিনি বলেন, ‘দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে দুই ধরনের দীনতা বিরাজ করছে। একদিকে রাষ্ট্র ক্রমাগত তাদের বরাদ্দ কমিয়ে দিচ্ছে, আরেকদিকে শিক্ষার পরিবেশটাকে পেশিশক্তি দ্বারা দমন করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এভাবেই বিশ্ববিদ্যালয়গুলেতে যৌবনের শক্তিকে দমন করে রাখা হচ্ছে।’

গবেষণার দিকে দৃষ্টিপাত করে তিনি বলেন, ‘অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় সস্তায় করোনার টিকা আবিষ্কার করেছে। এর মধ্যে বৃটেনের জনগণ ১৩০ কোটি পাউন্ড অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়কে দিয়েছে। অন্যদিকে আমাদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাগারগুলোকে বন্ধ করে রাখা হয়েছে।’

du2

শিক্ষার গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম ও পুঁজিবাদী সমাজব্যবস্থার পতন ও সমাজতান্ত্রিক সমাজ গঠনের জন্য বৈপ্লবিক ছাত্র সংগ্রাম বিকাশের পরিপূরক শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দেশব্যাপী ছাত্র আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বানও জানান তিনি।

সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সভাপতি আল কাদেরী জয়ের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন প্রিন্সের সঞ্চালনায় সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন বাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য বজলুর রশিদ ফিরোজ, ছাত্রফ্রন্ট ঢাবি শাখার সাধারণ সম্পাদক রাজীব কান্তি রায়, জাবি শাখার আহ্বায়ক শোভন রহমান প্রমুখ।

সমাবেশ থেকে বক্তারা বিভিন্ন দাবি তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে-

১. করোনাকারে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বেতন-ফি মওকুফ করা।
২. শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ-সাম্প্রদায়িকীকরণ বন্ধ করা।
৩. সকল নাগরিককে বিনামূল্যে টিকা দেয়া।
৪. অবিলম্বে ক্যাম্পাস খুলে দেয়া।

সমাবেশ শেষে চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

ইএ/এমএস