দেহ ব্যবসা করানো সেই নারী কাউন্সিলর গ্রেপ্তার

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের আলোচিত নারী কাউন্সিলর রোকসানা আহমেদ রোজীকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।বিউটি পারলারের আড়ালে কিশোরীদের দিয়ে জোরপূর্বক দেহব্যবসা করানোর অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

দেহ ব্যবসা করানো সেই নারী কাউন্সিলর গ্রেপ্তার
ছবিঃ সংগৃহীত

র‌্যার-১ গাজীপুর ক্যাম্পের কমান্ডার আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, তাঁকে আজ শনিবার থানায় সোপর্দ করা হবে।

গত মঙ্গলবার রোজীর পারলারের এক কিশোরী (১৬) কর্মী কৌশলে পালিয়ে গিয়ে নগরীর বাসন থানায় ‘মানবপাচার ও প্রতিরোধ দমন আইনে’ মামলা করেন। এ মামলায় ১৬, ১৭ ও ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের এ কাউন্সিলর ছাড়াও নগরীর গ্রেটওয়াল সিটির মোফাজ্জল হোসেনের বাসার কেয়ারটেকার মো. ইুরুল হক (৬৫) এবং অজ্ঞাত আরো দুই-তিনজনকে আসামি করা হয়েছে।

বাসায় আটকে রেখে বিউটি পারলারকর্মী এক কিশোরীকে দিয়ে জোরপূর্বক দেহব্যবসা করানোর অভিযোগে কাউন্সিলর রোকসানা আহমেদ রোজী ও বাড়ির কেয়ারটেকার নুরুল হকসহ আজ্ঞাত আরো দুই-তিন জনের বিরুদ্ধে গত মঙ্গলবার জিএমপি’র বাসন থানায় মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী কিশোরী।তার আগের দিন সোমবার রাতে পুলিশ বিউটি পারলার থেকে ভুক্তভোগী ওই কিশোরীকে উদ্ধার করেছে।

ভুক্তভোগী কিশোরী জানান, মোটা অংকের বেতনের আশ্বাসে কাউন্সিলর রোকছানা আহমেদ রোজী তাকে পারলারে চাকরি দিয়েছিলেন। পরে তাকে পারলারে কাজের বদলে বিভিন্ন সময়ে পাঠানো হতো দেহ ব্যবসায়। কিশোরী দুই বছর আগে ধর্মান্তরিত হয়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। নেত্রকোনার এই কিশোরীর গাজীপুরে কোনো স্বজন না থাকায় অভিযুক্ত কাউন্সিলরের ভাড়া বাসায় থাকতেন।

কিশোরীর ভাষ্য, চাকরির শুরু থেকেই ওই কাউন্সিলর তাকে জিম্মি করে এ ব্যবসা করে আসছিলেন। অনেকবার সে চেষ্টা করেছে নিজেকে রক্ষা করতে। কিন্তু কাউন্সিল ভয়ভীতি প্রদর্শন করে বিরত রেখেছে।

মামলা দায়েরর পর বাসন থানা পুলিশ নুরুল হককে গ্রেপ্তার করলেও ঘটনার পর থেকেই কাউন্সিলর পলাতক ছিলেন।