প্রথম ফোনটা না ধরাই ছিল বড় ভুল: আনুশকার বাবা

ভালোবাসার প্রতারণায় ধানমণ্ডির মাস্টার মাইন্ড স্কুলের ‘ ও‘ লেভেলের শিক্ষার্থী আনুশকা নূর আমিনকে খালি বাসায় ডেকে নেয় ফারদিন ইফতেখার দিহান (১৮)। সেখানেই আনুশকাকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে ...

প্রথম ফোনটা না ধরাই ছিল বড় ভুল: আনুশকার বাবা
ভালোবাসার প্রতারণায় ধানমণ্ডির মাস্টার মাইন্ড স্কুলের ‘ ও‘ লেভেলের শিক্ষার্থী আনুশকা নূর আমিনকে খালি বাসায় ডেকে নেয় ফারদিন ইফতেখার দিহান (১৮)। সেখানেই আনুশকাকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে ধর্ষণ করে দিহান।  

আনুশকাকে ধর্ষণের পরিকল্পনা আগেই করেছিল দিহান। তাদের উভয়ের মধ্যে চেনাজানা এবং প্রেমের সম্পর্ক হয়েছে খুব সম্প্রতি। প্রায় দুই থেকে তিন মাস আগে তাদরে মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

সেদিনের ঘটনার বর্ণনায় মেয়েটির বাবা সাংবাদিকদের বলেন, ঘটনার দিন ঠিক ১২টা ১৯ মিনিটে আমার মেয়ের নম্বর থেকে কল আসে। আমি মিটিংয়ে থাকায় ফোনটা কেটে দেই। তারপর আর ফোন করেনি। তার কিছু সময় পর আমার স্ত্রীর ফোনে কল আসে। ফোন করে আমার মেয়ের অসুস্থতার কথা কথা জানায়। প্রথম ফোনটা না ধরাটাই ছিল আমার সবচেয়ে বড় ভুল।

তিনি বলেন, মনে হয় আমার মেয়েকে যখন জারজবরদস্তি করা হচ্ছিল তখনেই সে আমাকে ফোন করেছিল। আমি যদি ফোনটা ধরতে পারতাম বিষয়টা এতদূর গড়াত না। পরে আমাকে না পেয়ে আমার স্ত্রীকে ফোন করা হয়। তবে সেটা হাসপাতাল থেকে নাকি ওই বাসা থেকে এটা আমরা জানি না। হাসপাতালে যাওয়ার পর চিকিৎসকরা আমাকে বলেন, ‘মারা যাওয়ার পর হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে’। আমার মনে হয়, এমনও হতে পারে, ও কোচিং এ যাচ্ছিল। তখন ওই ছেলেরা রাস্তায় তাকে বাধা দেয়। তখন আমাকে আমার মেয়ে ফোন করে।

এ দিকে আনুশকার বয়স নিধারণ নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। আনুশকার বাবা-মা অভিযোগ করেছেন, মেয়ের বয়স নিয়ে পুলিশ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাদের বিড়ম্বনায় ফেলেছে। পাসপোর্ট ও জন্মসনদ অনুযায়ী আনুশকার বয়স ১৭। মামলা দুর্বল করতে বয়স ১৯ লেখা হয়েছে।

ব্রেকিংনিউজ/এমএইচ