পুরুষের হার্ট অ্যাটাকে ঝুঁকি বাড়ায় সুন্দরী মেয়ে!

সিনেমার পর্দা হোক কিংবা বাস্তবে সুন্দরী মেয়েকে দেখে ছেলেদের মনের ভিতরটা হু হু করবেই। স্পেনের একদল গবেষকদের দাবি, সুন্দরী দেখলেই বেশিরভাগ ছেলেদের যেভাবে বুক ধড়ফড় করা বেড়ে যায় তাতে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়। তাই এ বিষয়ে এখনই সংযত হওয়া জরুরি। বছর খানেক আগে ডব্লিউবিএমডি’র একটি প্রতিবেদনে এ সম্পর্কে প্রথম জানা যায়। এই প্রতিবেদনে […]

পুরুষের হার্ট অ্যাটাকে ঝুঁকি বাড়ায় সুন্দরী মেয়ে!

সিনেমার পর্দা হোক কিংবা বাস্তবে সুন্দরী মেয়েকে দেখে ছেলেদের মনের ভিতরটা হু হু করবেই। স্পেনের একদল গবেষকদের দাবি, সুন্দরী দেখলেই বেশিরভাগ ছেলেদের যেভাবে বুক ধড়ফড় করা বেড়ে যায় তাতে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়। তাই এ বিষয়ে এখনই সংযত হওয়া জরুরি। বছর খানেক আগে ডব্লিউবিএমডি’র একটি প্রতিবেদনে এ সম্পর্কে প্রথম জানা যায়।
এই প্রতিবেদনে স্পেনের ভ্যালেন্সিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক জানিয়েছেন, সুন্দরী মেয়েরা সামনে এলে ছেলেদের মানসিক চাপ বেড়ে যায় অনেকটাই। অপরিচিত সুন্দরী মেয়েদের ক্ষেত্রেই মানসিক চাপ বৃদ্ধির এই প্রবণতা বেশি।

দীর্ঘ ৯ বছরের গবেষণার পর তারা এ সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন। গবেষকদের দাবি, এ মানসিক চাপ কখনো কখনো এতটাই বেড়ে যায় যে, তার ফলে হার্ট অ্যাটাক পর্যন্ত হতে পারে!

ভ্যালেন্সিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা জানান, ৮৪ জন স্বেচ্ছাসেবক পুরুষের ওপর টানা ৯ বছর ধরে গবেষণা চালিয়ে তারা দেখেছেন সুন্দরী মেয়েরা কাছে আসার ৫ মিনিটের মধ্যেই ছেলেদের হৃৎস্পন্দনের গতি অনেকটাই বেড়ে যায়। এ ৫ মিনিটের মধ্যেই ছেলেদের শরীরে ‘কোর্ট্রিসল’ নামের বিশেষ হরমোনের নিঃসরণ অনেকটা বেড়ে যায়।

এই ‘কোর্ট্রিসল’ হরমোনের মাত্রাতিরিক্ত নিঃসরণের প্রভাবে আমাদের হৃদযন্ত্রের ক্ষতির আশঙ্কা অনেকটাই বেড়ে যায়। একই সঙ্গে ডায়াবেটিস বা নানা রকম স্নায়বিক সমস্যা দেখা দিতে পারে।

সুতরাং, সুন্দরী মেয়েদের দেখলেই সতর্কভাবে সংযত হওয়া জরুরি।