ফোনে পরিচয়, কুয়াকাটায় বেড়াতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার প্রেমিকা

বেড়ানোর কথা বলে কুয়াকাটায় এনে একটি আবাসিক হোটেলে আটকে রেখে প্রেমিকাকে (২৩) গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ধর্ষণের শিকার ওই তরুণীর বাড়ি তালতলী উপজেলার সারিকখালী গ্রামে। এ ঘটনায় ওই তরুণী বাদী হয়ে মহিপুর থানায় সোমবার (১১ জানুয়ারি) রাতে তিন জনকে আসামি করে মামলা করেছেন। পরে রাতেই তাদের গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মামলার আসামিরা হলেন-রনি প্যাদা (২৪), মাইনুল ইসলাম (২০) ও হোটেল ম্যানেজার শহিদুল ইসলাম। মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ১০-১৫ দিন আগে দশমিনা উপজেলার রনি প্যাদার সঙ্গে তালতলী উপজেলার ওই তরুণীর ফোনে পরিচয় হয়। সেই সূত্র ধরে রোববার (১০ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় তাকে নানা প্রলোভনে কুয়াকাটায় বেড়াতে নিয়ে আসেন রনি। তারা সিলভার ক্রাউন নামের একটি আবাসিক হোটেলে স্বামী-স্ত্রীর পরিচয়ে ২০৬ নম্বর কক্ষে ওঠেন। তাকে ধর্ষণ করেন রনি। পরে দশমিনা থেকে আসা মাইনুল ইসলামও তাকে ধর্ষণ করেন। এতে সহযোগিতা করেন হোটেলের ম্যানেজার শহিদুল ইসলাম। মহিপুর থানার পরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান বলেন, ভিকটিমকে উদ্ধার করে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। গ্রেফতার তিনজনকে মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। কাজী সাঈদ/এসআর/এমকেএইচ

ফোনে পরিচয়, কুয়াকাটায় বেড়াতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার প্রেমিকা

বেড়ানোর কথা বলে কুয়াকাটায় এনে একটি আবাসিক হোটেলে আটকে রেখে প্রেমিকাকে (২৩) গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ধর্ষণের শিকার ওই তরুণীর বাড়ি তালতলী উপজেলার সারিকখালী গ্রামে।

এ ঘটনায় ওই তরুণী বাদী হয়ে মহিপুর থানায় সোমবার (১১ জানুয়ারি) রাতে তিন জনকে আসামি করে মামলা করেছেন। পরে রাতেই তাদের গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

মামলার আসামিরা হলেন-রনি প্যাদা (২৪), মাইনুল ইসলাম (২০) ও হোটেল ম্যানেজার শহিদুল ইসলাম।

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ১০-১৫ দিন আগে দশমিনা উপজেলার রনি প্যাদার সঙ্গে তালতলী উপজেলার ওই তরুণীর ফোনে পরিচয় হয়। সেই সূত্র ধরে রোববার (১০ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় তাকে নানা প্রলোভনে কুয়াকাটায় বেড়াতে নিয়ে আসেন রনি। তারা সিলভার ক্রাউন নামের একটি আবাসিক হোটেলে স্বামী-স্ত্রীর পরিচয়ে ২০৬ নম্বর কক্ষে ওঠেন। তাকে ধর্ষণ করেন রনি।

পরে দশমিনা থেকে আসা মাইনুল ইসলামও তাকে ধর্ষণ করেন। এতে সহযোগিতা করেন হোটেলের ম্যানেজার শহিদুল ইসলাম।

মহিপুর থানার পরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান বলেন, ভিকটিমকে উদ্ধার করে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। গ্রেফতার তিনজনকে মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

কাজী সাঈদ/এসআর/এমকেএইচ