ফের লকডাউনে মালয়েশিয়া

মহামারি করোনা সংক্রমণ রোধে ফের লকডাউনে গেল মালয়েশিয়া। সোমবার (১১ জানুয়ারি) বিকেলে জাতির উদ্দেশে দেয়া এক বিশেষ ভাষণে দেশটির প্রধানমন্ত্রী তান সেরী মুহিউদ্দিন ইয়াসিন এই ঘোষণা দেন। দেশটির কুয়ালালামপুর, পুত্রাজায়া, সেলঙ্গর, সাবাহ, জোহর, মালাকা, পুলাউ পেনাং ও লাবুয়ান অঞ্চলে আগামী ১৩ জানুয়ারি থেকে ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত ১৪ দিনের মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার বা সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন (এমসিও) জারি করা হয়েছে। তবে লকডাউন চলাকালীন উৎপাদন, নির্মাণ, পরিষেবা, বাণিজ্য ও বিতরণ, বৃক্ষরোপণ ও পণ্যাদি অপরিহার্য অর্থনৈতিক ক্ষেত্রগুলো পরিচালনা করার অনুমতি দেয়া হয়েছে। গত মার্চ মাসে সরকার প্রথমে সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ আইন ১৯৮৮ এবং পাশাপাশি পুলিশ অ্যাক্ট ১৯৬৭ এর অধীনে ধর্মীয়, খেলাধুলা, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক গণসমাবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। সে সময় সুপার মার্কেট, পাবলিক মার্কেট, বিভিন্ন জিনিসপত্র ও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস বিক্রি করা দোকান ব্যতীত সব উপাসনা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। তবে, সরকার ধীরে ধীরে তা শিথিল করে বেশিরভাগ শিল্প প্রতিষ্ঠান খোলার চেষ্টা করে এবং বেশিরভাগ সামাজিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের অনুমতি দেয়। এরপর একটি রাজ্যের নির্বাচন থেকে নতুন করে করোনা সংক্রমণ বাড়তে থাকায় ১৪ অক্টোবর থেকে দ্বিতীয় দফায় লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছিল। তখন দুই সপ্তাহের জন্য মালয়েশিয়ার এক তৃতীয়াংশের বেশি মানুষের চলাচলে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছিল। তার কিছুদিন পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসায় লকডাউন শিথিল করে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খোলার অনুমতি দেয়া হয়। কিন্তু তৃতীয় দফায় এসে করোনা সংক্রমণ আবারও বাড়তে থাকে। সম্প্রতি এ সংখ্যা তিন হাজার ছাড়ানোর পর আবারও মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার চালুর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিল দেশটির সরকার। এমসিও চলাকালে গেল বছরের মার্চের ন্যায় আরও ১৪ দিন নিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন করতে হবে দেশের জনগণকে। আহমাদুল কবির /এমআরআর

ফের লকডাউনে মালয়েশিয়া

মহামারি করোনা সংক্রমণ রোধে ফের লকডাউনে গেল মালয়েশিয়া। সোমবার (১১ জানুয়ারি) বিকেলে জাতির উদ্দেশে দেয়া এক বিশেষ ভাষণে দেশটির প্রধানমন্ত্রী তান সেরী মুহিউদ্দিন ইয়াসিন এই ঘোষণা দেন।

দেশটির কুয়ালালামপুর, পুত্রাজায়া, সেলঙ্গর, সাবাহ, জোহর, মালাকা, পুলাউ পেনাং ও লাবুয়ান অঞ্চলে আগামী ১৩ জানুয়ারি থেকে ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত ১৪ দিনের মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার বা সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন (এমসিও) জারি করা হয়েছে।

তবে লকডাউন চলাকালীন উৎপাদন, নির্মাণ, পরিষেবা, বাণিজ্য ও বিতরণ, বৃক্ষরোপণ ও পণ্যাদি অপরিহার্য অর্থনৈতিক ক্ষেত্রগুলো পরিচালনা করার অনুমতি দেয়া হয়েছে।

গত মার্চ মাসে সরকার প্রথমে সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ আইন ১৯৮৮ এবং পাশাপাশি পুলিশ অ্যাক্ট ১৯৬৭ এর অধীনে ধর্মীয়, খেলাধুলা, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক গণসমাবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল।

সে সময় সুপার মার্কেট, পাবলিক মার্কেট, বিভিন্ন জিনিসপত্র ও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস বিক্রি করা দোকান ব্যতীত সব উপাসনা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল।

তবে, সরকার ধীরে ধীরে তা শিথিল করে বেশিরভাগ শিল্প প্রতিষ্ঠান খোলার চেষ্টা করে এবং বেশিরভাগ সামাজিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের অনুমতি দেয়।

এরপর একটি রাজ্যের নির্বাচন থেকে নতুন করে করোনা সংক্রমণ বাড়তে থাকায় ১৪ অক্টোবর থেকে দ্বিতীয় দফায় লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছিল। তখন দুই সপ্তাহের জন্য মালয়েশিয়ার এক তৃতীয়াংশের বেশি মানুষের চলাচলে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছিল।

তার কিছুদিন পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসায় লকডাউন শিথিল করে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খোলার অনুমতি দেয়া হয়। কিন্তু তৃতীয় দফায় এসে করোনা সংক্রমণ আবারও বাড়তে থাকে।

সম্প্রতি এ সংখ্যা তিন হাজার ছাড়ানোর পর আবারও মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার চালুর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিল দেশটির সরকার। এমসিও চলাকালে গেল বছরের মার্চের ন্যায় আরও ১৪ দিন নিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন করতে হবে দেশের জনগণকে।

আহমাদুল কবির /এমআরআর