ব্যাটে-গ্লাভসে দুর্দান্ত, ম্যাচসেরা মুশফিকুর রহীম

তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহীম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ- বাংলাদেশ ইনিংসে তিন ব্যাটসম্যানই কাকতালীয়ভাবে সমান ৬৪ রান করে করেন। এর মধ্যে বলের হিসেবে সবচেয়ে মারমুখী ছিল মাহমুদউল্লাহর ইনিংসটি। ৪৩ বলে ৩টি করে চার-ছক্কায় ৬৪ রানের ইনিংস খেলেন মাহমুদউল্লাহ। স্ট্রাইকরেট ছিল ১৪৮.৮৪। তার চেয়ে বড় কথা বাকি দুই ব্যাটসম্যান আউট হলেও মাহমুদউল্লাহ শেষ পর্যন্ত অপরাজিত ছিলেন। দলের বড় পুঁজি এনে দেয়ার পেছনে তার অবদানই সবচেয়ে বেশি। ধারণা করা হচ্ছিল, বোলাররা কেউ বড় কিছু না করলে মাহমুদউল্লাহর হাতেই উঠবে ম্যাচসেরার পুরস্কার। বল হাতে নিয়েও আবার দুই ওভার করেছেন এই অফস্পিনার। ১১ রান খরচায় ছিলেন উইকেটশূন্য। তবে মাহমুদউল্লাহ নন, ম্যাচসেরার পুরস্কার হাতে উঠেছে ব্যক্তিগত সম্পর্কে তারই ‘ভায়রা ভাই’ মুশফিকুর রহীমের হাতে। উইকেটের পেছনে গ্লাভস হাতে সাফল্যই পারফরম্যান্সে এগিয়ে দিয়েছে মুশফিককে। ব্যাট হাতে ৫৫ বলে ৪ বাউন্ডারি আর ২ ছক্কায় মুশফিকের ৬৪ রানের ইনিংসটিরও স্ট্রাইকরেট ছিল একশর ওপরে (১১৬.৩৬)। পরে উইকেটের পেছনে চার-চারটি গুরুত্বপূর্ণ ক্যাচ নিয়েছেন তিনি। দুটি মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের, একটি মেহেদি হাসান মিরাজ, আর একটি ক্যাচ নিয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমানের বলে। এমএমআর/জিকেএস

ব্যাটে-গ্লাভসে দুর্দান্ত, ম্যাচসেরা মুশফিকুর রহীম

তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহীম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ- বাংলাদেশ ইনিংসে তিন ব্যাটসম্যানই কাকতালীয়ভাবে সমান ৬৪ রান করে করেন। এর মধ্যে বলের হিসেবে সবচেয়ে মারমুখী ছিল মাহমুদউল্লাহর ইনিংসটি।

৪৩ বলে ৩টি করে চার-ছক্কায় ৬৪ রানের ইনিংস খেলেন মাহমুদউল্লাহ। স্ট্রাইকরেট ছিল ১৪৮.৮৪। তার চেয়ে বড় কথা বাকি দুই ব্যাটসম্যান আউট হলেও মাহমুদউল্লাহ শেষ পর্যন্ত অপরাজিত ছিলেন। দলের বড় পুঁজি এনে দেয়ার পেছনে তার অবদানই সবচেয়ে বেশি।

ধারণা করা হচ্ছিল, বোলাররা কেউ বড় কিছু না করলে মাহমুদউল্লাহর হাতেই উঠবে ম্যাচসেরার পুরস্কার। বল হাতে নিয়েও আবার দুই ওভার করেছেন এই অফস্পিনার। ১১ রান খরচায় ছিলেন উইকেটশূন্য।

তবে মাহমুদউল্লাহ নন, ম্যাচসেরার পুরস্কার হাতে উঠেছে ব্যক্তিগত সম্পর্কে তারই ‘ভায়রা ভাই’ মুশফিকুর রহীমের হাতে। উইকেটের পেছনে গ্লাভস হাতে সাফল্যই পারফরম্যান্সে এগিয়ে দিয়েছে মুশফিককে।

ব্যাট হাতে ৫৫ বলে ৪ বাউন্ডারি আর ২ ছক্কায় মুশফিকের ৬৪ রানের ইনিংসটিরও স্ট্রাইকরেট ছিল একশর ওপরে (১১৬.৩৬)। পরে উইকেটের পেছনে চার-চারটি গুরুত্বপূর্ণ ক্যাচ নিয়েছেন তিনি। দুটি মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের, একটি মেহেদি হাসান মিরাজ, আর একটি ক্যাচ নিয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমানের বলে।

এমএমআর/জিকেএস