‘ব্লাক আউটে’ অন্ধকারাচ্ছন্ন পাকিস্তান

ভয়াবহ বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে পাকিস্তান। শনিবার (৯ জানুয়ারি) দিবাগত মধ্যরাতে ‘ব্লাক আউটে’ অন্ধকারে ঢেকে যায় দেশটি। পাকিস্তানের বিদ্যুৎমন্ত্রী জানিয়েছেন, ন্যাশনাল ট্রান্সমিশন ডেসপ্যাচ কোম্পানির (এনটিডিসি) বিদ্যুৎসংযোগ ব্যবস্থায় প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে এ বিপর্যয় ঘটেছে। সংযোগ স্বাভাবিক হতে বেশ কিছু সময় লাগতে পারে। দ্যা ডন এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজধানী ইসলামাবাদ, করাচি, লাহোর, রাওয়ালপিণ্ডি, পেশোয়ার, মুলতান, কোয়েটা, ফয়সলাবাদ, মুজফ্ফরগড়, ভাওয়ালপুর, বেলুচিস্তানসহ বড় বড় শহর অন্ধকারে ঢেকে যায়। জিন্নাহ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরও অন্ধকার হয়ে পড়ে। বিদ্যুৎ বিপর্যায়ের কারণে মোবাইল এবং ইন্টারনেট পরিষেবাও বন্ধ হয়ে যায়। ইসলামাবাদের ডেপুটি কমিশনার হামজা শফাকত জানিয়েছেন, এনটিডিসি’র বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবস্থায় প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে পাকিস্তানের বড় বড় শহরগুলোকে বিপর্যয়ের মুখে পড়তে হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে সময় লাগতে পারে। পাকিস্তানের বিদ্যুৎমন্ত্রী ওমর আয়ুব রাতেই টুইট করে জানিয়েছেন, বিদ্যুৎ সঞ্চালন ব্যবস্থায় হঠাৎ করেই সমস্যা দেখা দেয়ায় দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউটের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। কী কারণে এই ঘটনা ঘটল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মীরা কাজ শুরু করেছে। যত দ্রুত সম্ভব সংযোগ স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।’ এদিকে ব্লাকআউট হওয়ার পরপরই টুইটারে #ব্ল্যাকআউট শব্দটি ট্রেন্ডিং হয়ে পড়ে। এনিয়ে ২০ হাজার টুইট হয়েছে। এর আগে ২০১৫ সালে ব্ল্যাকআউট হয়ে গিয়েছিল পাকিস্তান। সেসময় রাজধানী ইসলামাবাদসহ দেশের ৮০ শতাংশ অঞ্চল অন্ধকারে ডুবে গিয়েছিল। ন্যাশনাল গ্রিড বসে যাওয়ার কারণে সেই ভয়ানক বিপর্যয়ের মুখে পড়তে হয়েছিল গোটা পাকিস্তানকে। সূত্র: দ্যা ডন এএএইচ

‘ব্লাক আউটে’ অন্ধকারাচ্ছন্ন পাকিস্তান

ভয়াবহ বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে পাকিস্তান। শনিবার (৯ জানুয়ারি) দিবাগত মধ্যরাতে ‘ব্লাক আউটে’ অন্ধকারে ঢেকে যায় দেশটি। পাকিস্তানের বিদ্যুৎমন্ত্রী জানিয়েছেন, ন্যাশনাল ট্রান্সমিশন ডেসপ্যাচ কোম্পানির (এনটিডিসি) বিদ্যুৎসংযোগ ব্যবস্থায় প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে এ বিপর্যয় ঘটেছে। সংযোগ স্বাভাবিক হতে বেশ কিছু সময় লাগতে পারে।

দ্যা ডন এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজধানী ইসলামাবাদ, করাচি, লাহোর, রাওয়ালপিণ্ডি, পেশোয়ার, মুলতান, কোয়েটা, ফয়সলাবাদ, মুজফ্ফরগড়, ভাওয়ালপুর, বেলুচিস্তানসহ বড় বড় শহর অন্ধকারে ঢেকে যায়। জিন্নাহ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরও অন্ধকার হয়ে পড়ে। বিদ্যুৎ বিপর্যায়ের কারণে মোবাইল এবং ইন্টারনেট পরিষেবাও বন্ধ হয়ে যায়।

ইসলামাবাদের ডেপুটি কমিশনার হামজা শফাকত জানিয়েছেন, এনটিডিসি’র বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবস্থায় প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে পাকিস্তানের বড় বড় শহরগুলোকে বিপর্যয়ের মুখে পড়তে হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে সময় লাগতে পারে।

পাকিস্তানের বিদ্যুৎমন্ত্রী ওমর আয়ুব রাতেই টুইট করে জানিয়েছেন, বিদ্যুৎ সঞ্চালন ব্যবস্থায় হঠাৎ করেই সমস্যা দেখা দেয়ায় দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউটের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। কী কারণে এই ঘটনা ঘটল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মীরা কাজ শুরু করেছে। যত দ্রুত সম্ভব সংযোগ স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।’

এদিকে ব্লাকআউট হওয়ার পরপরই টুইটারে #ব্ল্যাকআউট শব্দটি ট্রেন্ডিং হয়ে পড়ে। এনিয়ে ২০ হাজার টুইট হয়েছে।

এর আগে ২০১৫ সালে ব্ল্যাকআউট হয়ে গিয়েছিল পাকিস্তান। সেসময় রাজধানী ইসলামাবাদসহ দেশের ৮০ শতাংশ অঞ্চল অন্ধকারে ডুবে গিয়েছিল। ন্যাশনাল গ্রিড বসে যাওয়ার কারণে সেই ভয়ানক বিপর্যয়ের মুখে পড়তে হয়েছিল গোটা পাকিস্তানকে।

সূত্র: দ্যা ডন

এএএইচ