বাস চলাচল বন্ধ না রাখায় বিআরটিসির চালককে মারধর

ময়মনসিংহে পরিবহন ইউনিয়ন নেতার কথায় বিআরটিসি বাস চলাচল বন্ধ না রাখায় সাহেব আলী নামের এক চালককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে। রোববার (১০ জানুয়ারি) দুপুরে নগরীর পাটগুদাম ব্রীজ মোড়ে শ্রমিক ইউনিয়ন নেতা স্বপন মিয়ার নেতৃত্বে তার ওপর হামলা চালানো হয়। পরে ময়মনসিংহ থেকে দুই ঘণ্টা বিআরটিসি বাস চলাচল বন্ধ থাকে। বিআরটিসি বাস চালক সাহেব আলী বলেন, ‘দুপুরে ব্রিজমোড় থেকে নান্দাইলের উদ্দেশে বিআরটিসির দুটি বাসে যাত্রী তোলা হয়। এ সময় জেলা শ্রমিক ইউনিয়নের প্রচার সম্পাদক স্বপন মিয়া ১৫-২০ জন লোক নিয়ে এসে বাস বন্ধ করে দেয়ার নির্দেশ দেন। এর কারণ জানতে চাইলে স্বপন মিয়াসহ সবাই আমাকে মারতে শুরু করেন। পরে পুলিশ এসে আমাকে উদ্ধার করে।’ বিআরটিসির এটিও সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘দীর্ঘ কয়েক মাস করোনার জন্য বিআরটিসির বাস চলাচল বন্ধ থাকে। দু-তিন দিন হলো কর্তৃপক্ষের নির্দেশে আবার বাস চলাচল শুরু হয়েছে। সার্ভিস ভালো থাকায় যাত্রীদের প্রথম পছন্দ বিআরটিসি বাস। তাই অন্যান্য বাসগুলোর চেয়ে আমাদের যাত্রী বেশি হয়। এ কারণেই অন্য বাসের মালিকরা ক্ষুব্ধ। আমাদের বাসগুলো বন্ধ রাখতে শ্রমিক নেতারা হুমকি দেন। তাদের কথায় সাড়া না দেয়ায় চালককে মারধর করা হয়েছে।’ শ্রমিক ইউনিয়নের প্রচার সম্পাদক স্বপন মিয়া জানান, বিআরটিসির বাস চলাচলে তাদের কোনো বাধা-নিষেধ নেই। আর কারা চালককে মেরেছে তা তিনি জানেন না। হয়তো কারোর সঙ্গে হাতাহাতি হয়ে থাকতে পারে বলে দাবি করেন স্বপন মিয়া। এদিকে চালককে মারধরের ঘটনায় যাত্রীদের কিছুটা দুর্ভোগ পোহাতে হয়। যাত্রীরা দাবি করেন, কম টাকায় আরাম করে বিআরটিসি বাসে সহজেই চলাচল করা যায়। যা অন্য কোনো বাসে পাওয়া যায় না। যারা বাস বন্ধে ষড়যন্ত্র করছেন, তাদের আইনের আওতায় আনা উচিত। ব্যক্তিস্বার্থে বৃহৎ স্বার্থে যেন কোনোভাবেই নস্যাৎ না হয়। মঞ্জুরুল ইসলাম/এসআর/জিকেএস

বাস চলাচল বন্ধ না রাখায় বিআরটিসির চালককে মারধর

ময়মনসিংহে পরিবহন ইউনিয়ন নেতার কথায় বিআরটিসি বাস চলাচল বন্ধ না রাখায় সাহেব আলী নামের এক চালককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে।

রোববার (১০ জানুয়ারি) দুপুরে নগরীর পাটগুদাম ব্রীজ মোড়ে শ্রমিক ইউনিয়ন নেতা স্বপন মিয়ার নেতৃত্বে তার ওপর হামলা চালানো হয়। পরে ময়মনসিংহ থেকে দুই ঘণ্টা বিআরটিসি বাস চলাচল বন্ধ থাকে।

বিআরটিসি বাস চালক সাহেব আলী বলেন, ‘দুপুরে ব্রিজমোড় থেকে নান্দাইলের উদ্দেশে বিআরটিসির দুটি বাসে যাত্রী তোলা হয়। এ সময় জেলা শ্রমিক ইউনিয়নের প্রচার সম্পাদক স্বপন মিয়া ১৫-২০ জন লোক নিয়ে এসে বাস বন্ধ করে দেয়ার নির্দেশ দেন। এর কারণ জানতে চাইলে স্বপন মিয়াসহ সবাই আমাকে মারতে শুরু করেন। পরে পুলিশ এসে আমাকে উদ্ধার করে।’

বিআরটিসির এটিও সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘দীর্ঘ কয়েক মাস করোনার জন্য বিআরটিসির বাস চলাচল বন্ধ থাকে। দু-তিন দিন হলো কর্তৃপক্ষের নির্দেশে আবার বাস চলাচল শুরু হয়েছে। সার্ভিস ভালো থাকায় যাত্রীদের প্রথম পছন্দ বিআরটিসি বাস। তাই অন্যান্য বাসগুলোর চেয়ে আমাদের যাত্রী বেশি হয়। এ কারণেই অন্য বাসের মালিকরা ক্ষুব্ধ। আমাদের বাসগুলো বন্ধ রাখতে শ্রমিক নেতারা হুমকি দেন। তাদের কথায় সাড়া না দেয়ায় চালককে মারধর করা হয়েছে।’

শ্রমিক ইউনিয়নের প্রচার সম্পাদক স্বপন মিয়া জানান, বিআরটিসির বাস চলাচলে তাদের কোনো বাধা-নিষেধ নেই। আর কারা চালককে মেরেছে তা তিনি জানেন না। হয়তো কারোর সঙ্গে হাতাহাতি হয়ে থাকতে পারে বলে দাবি করেন স্বপন মিয়া।

এদিকে চালককে মারধরের ঘটনায় যাত্রীদের কিছুটা দুর্ভোগ পোহাতে হয়। যাত্রীরা দাবি করেন, কম টাকায় আরাম করে বিআরটিসি বাসে সহজেই চলাচল করা যায়। যা অন্য কোনো বাসে পাওয়া যায় না। যারা বাস বন্ধে ষড়যন্ত্র করছেন, তাদের আইনের আওতায় আনা উচিত। ব্যক্তিস্বার্থে বৃহৎ স্বার্থে যেন কোনোভাবেই নস্যাৎ না হয়।

মঞ্জুরুল ইসলাম/এসআর/জিকেএস