মেহেরপুর জেলা বাদে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট পাচ্ছে দেশের ২৬০০ ইউনিয়ন

মেহেরপুর জেলা বাদে ৬৩টি জেলার ২ হাজার ৬০০ ইউনিয়নের ডিজিটাল সেন্টারে সরকার ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপনের কাজ করছে। এর মধ্যে ২ হাজার ৫৫০ ইউনিয়নে সরঞ্জাম বসেছে। সংযোগ দেওয়া হয়েছে ২ হাজার ৪৫০ ইউনিয়নে।

মেহেরপুর জেলা বাদে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট পাচ্ছে দেশের ২৬০০ ইউনিয়ন

তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘ইনফো সরকার ৩’ প্রকল্পের কাজ প্রায় শেষের দিকে। এ বছরের মে-জুন নাগাদ উদ্বোধন হওয়ার আশা করছেন তিনি

রতিমন্ত্রী বলেন, ‘গ্রামপর্যায়ে উচ্চগতির ইন্টারনেট গেলে ফ্রিল্যান্সিং, অনলাইন শিক্ষায় বড় পরিবর্তন আসবে। সংযোগ হওয়ার পর হয়তো সঙ্গে সঙ্গে প্রয়োজনীয়তা বোঝা যাবে না। তবে পাঁচ বছর পর তা বোঝা যাবে। ২০২৫ সালের মধ্যে ১ লাখ ৯ হাজার প্রতিষ্ঠানে ব্রডব্যান্ড সংযোগ দেওয়া হবে।’ তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ ইউনিয়ন পর্যায়ে স্থানীয় ইন্টারনেট সেবা সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে এসব বিষয়ে আগ্রহী করে তোলার কথাও বলেন তিনি। 

ইনফো সরকার-৩ প্রকল্পে বিনা মূল্যে ব্যান্ডউইথ দিচ্ছে নেশনওয়াইড টেলিকমিউনিকেশন ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক (এনটিটিএন) প্রতিষ্ঠান সামিট কমিউনিকেশনস এবং ফাইবার অ্যাট হোম। আগামী ২০ বছর এটা রক্ষণাবেক্ষণসহ দেখাশোনার কাজ চলবে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে। সংযোগ স্থাপন হয়ে গেলে দরপত্র আহ্বান করা হবে এর রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য।

প্রকল্প কর্তৃপক্ষ জানায়, বিসিসি ইনফো-সরকার ১ম পর্যায় ও ইনফো-সরকার ২য় পর্যায় প্রকল্প বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতায় ইনফো-সরকার ৩য় পর্যায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রথম পর্যায়ে জেলায় এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে উপজেলায় সংযোগ স্থাপন করা হয়। ২ হাজার ৬০০ ইউনিয়ন ছাড়াও বাংলাদেশ পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের এক হাজার অফিসে ভিপিএন (ভার্চ্যুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক) সংযোগ দেওয়া হচ্ছে।

প্রকল্পটির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হিসেবে বলা হয়েছে, ২ হাজার ৬০০ ইউনিয়নে ১৯ হাজার ৫০০ কিলোমিটার অপটিক্যাল ফাইবার কেবলের মাধ্যমে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করা হবে। ইউনিয়ন পর্যায়ে বিভিন্ন দপ্তর, বিদ্যালয়, কলেজ, গ্রোথসেন্টার ও অন্য সরকারি কার্যালয়গুলোতে নেটওয়ার্ক সংযোগ স্থাপন করা হবে। গ্রামীণ জনগোষ্ঠীকে সরকারের ই-সেবার অন্তর্ভুক্ত করাও এর অন্যতম উদ্দেশ্য। ন্যাশনাল আইসিটি নেটওয়ার্কের সঙ্গে বাংলাদেশ পুলিশ নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করতে জিওবির আওতায় পুলিশ ইউনিটের সর্বস্তরে অবাধ তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং প্রান্তিক পর্যায়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সহায়তা করা এর লক্ষ্য।

সুত্রঃ প্রথম আলো