মোটরসাইকেল ক্রেতাদের জন্য সুখবর: নিবন্ধন ফি অর্ধেকে নামল

মোটরসাইকেল ক্রেতাদের জন্য সুখবর। দুই চাকার এই যানবাহনের নিবন্ধন ফি প্রায় অর্ধেক কমানো হয়েছে। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় নিবন্ধন ফি কমানোর যে প্রস্তাব দিয়েছিল তা সম্প্রতি অনুমোদন করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। ফলে গ্রাহকদের নিবন্ধন খরচ কমবে।

মোটরসাইকেল ক্রেতাদের জন্য সুখবর:  নিবন্ধন ফি অর্ধেকে নামল
মোটরসাইকেল ক্রেতাদের জন্য সুখবর: নিবন্ধন ফি অর্ধেকে নামল

নতুন করে ফি নির্ধারণ করায় এখন থেকে ১০০ সিসি বা তার নিচের ইঞ্জিন ক্ষমতার মোটরসাইকেলের নিবন্ধনে খরচ হবে ২ হাজার টাকা। যা এতদিন ছিলো ৪ হাজার ২০০ টাকা। আর ১০০ সিসির উপরের ইঞ্জিন ক্ষমতার মোটরসাইকেলের নিবন্ধন ফি হবে ৩ হাজার টাকা। যা আগে ছিল ৫ হাজার ৬০০ টাকা। সর্বশেষ ২০১৪ সালে মোটরযান নিবন্ধন ফি নির্ধারণ করা হয়েছিল।

সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গত বছরের ১৬ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশ জাপান যৌথ সরকারি বেসরকারি অর্থনৈতিক সংলাপ’ বৈঠকে মোটরসাইকেলের নিবন্ধন ফি বাজার মূল্যের ১০ শতাংশের মধ্যে নির্ধারণের সিদ্ধান্ত হয়। এর আগে, শিল্পমন্ত্রীর সঙ্গে এক বৈঠকে মোটরসাইকেল নিবন্ধন খরচ কমানোর প্রস্তাব করেনঢাকায় নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত। বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী দেশগুলোর মধ্যে জাপান অন্যতম। জাপানের অনুরোধ, দেশের গ্রাহকদের সুবিধা ও সব মোটরসাইকেল নিবন্ধনের আওতায় আনার চিন্তা থেকে ফি কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছিল।

বিআরটিএ’র তথ্য অনুযায়ী, করোনার কারণে চলাচল সীমিত থাকলেও গত বছর সারা দেশে ৩ লাখ ১১ হাজার ১৬টি মোটরসাইকেলের নিবন্ধন নিয়েছেন গ্রাহকরা। ২০১৯ সালে সারাদেশে ৪ লাখ ১ হাজার ৪৫২টি মোটরসাইকেল নিবন্ধন করা হয়েছে। ২০১৮ ও ২০১৭ সালে যথাক্রমে এ সংখ্যা ছিল- তিন লাখ ৯৩ হাজার ৫৪৫ ও তিন লাখ ২৫ হাজার ৮৭৬টি। অর্থাৎ দেশে মোটরসাইকেলের ব্যবহার ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে।

এ বিষয়ে দেশে মোটরসাইকেল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান রানার গ্রুপের চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান খান বলেন, যেকোনো ক্রেতা সুবিধা পেলে সেই পণ্য বা সেবার বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। করোনাকালীন সরকারের এ সিদ্ধান্ত মোটরসাইকেল শিল্পের বাজারে ফিরে আসতে সহায়তা করবে।