মা-বোনকে খুন, ছোট্ট ভাইটিও বাঁচতে পারলো না

সিলেটের শাহপরানে সৎ মা ও বোনকে কুপিয়ে হত্যার পর ছুরিকাঘাত করা সৎ ভাইটিও গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে মারা গেছে। নিহত শিশুর নাম তাহসান আহমদও (৭)।  শুক্রবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে সিলেট এম এ ...

মা-বোনকে খুন, ছোট্ট ভাইটিও বাঁচতে পারলো না
সিলেটের শাহপরানে সৎ মা ও বোনকে কুপিয়ে হত্যার পর ছুরিকাঘাত করা সৎ ভাইটিও গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে মারা গেছে। নিহত শিশুর নাম তাহসান আহমদও (৭)। 

শুক্রবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাহসানের মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টার দিকে শাহপরানের বিআইডিসি এলাকার মীর মহল্লার একটি বাড়িতে সৎ মা ও ৯ বছর বয়সী সৎ বোনকে কুপিয়ে হত্যা করে ঘাতক ছেলে। এসময় ৭ বছর বয়সী সৎ ভাইকেও ছুরিকাঘাত করা হয়। হত্যার পর তোশকে আগুন ধরিয়ে বাইরে থেকে দরজা বন্ধ করে দেয়ার সময় ওই কিশোরকে রক্তমাখা ছোরাসহ আটক করে পুলিশ। ঘাতক ছেলের নাম মাহবুব হোসেন ওরফে আবাদ হোসেন (১৭)। 

নিহতরা হলেন- রুবিয়া বেগম (৩০) ও তার মেয়ে মাহা বেগম (৯)। 

শুক্রবার সকাল সোয়া ১০টায় সিলেট মহানগরের শাহপরান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ আনিসুর রহমান ব্রেকিংনিউজকে বলেন, বৃহস্পতিবার মাঝরাতে ওই এলাকার আবাদাল হোসেন বাবুলের ছেলে আবাদ হোসেন ছুরি দিয়ে তার সৎ মা এবং বোনক কুপাতে থাকে। এতে ঘটনাস্থলেই মা ও বোন মারা যান। ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত অবস্থায় সৎ ভাই তাহসনাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শুক্রবার সকালে সেও মারা যায়।

এদিকে ঘটনার পরপরই পুলিশ আবাদ হোসেনকে আটক করেছে। আবাদের বাবা বিআইডিসি এলাকার মুদি দোকানি। আবাদ চার মাস আগে সৎ মায়ের সংসারে এসেছে বাবাকে কাজে সহযোগিতা করার জন্য। 

জিজ্ঞাসাবাদে আবাদ পুলিশকে জানায়, সৎ মা তাকে নানাভাবে অত্যাচার-নির্যাতন করতেন। সেই ক্ষোভ থেকেই সে তাদেরকে খুন করেছে।

এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে সিলেটে মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (দক্ষিণ) সুহেল রেজা, শাহপরান থানা পুলিশের সহকারী কমিশনার (এসি) ময়নুল আফসারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

ব্রেকিংনিউজ/এমআর