রাজশাহী মানেই সিল্কসিটি: পাটমন্ত্রী

রেশম শিল্পে আয় কম ব্যয় বেশি। এ নিয়ে আলোচনা ও গবেষণা করতে হবে। এর মধ্য দিয়ে এই শিল্পের ত্রুটি শনাক্ত করতে হবে। রাজশাহী মানেই আম, রাজশাহী মানেই সিল্ক। ঐতিহ্যবাহী এই শিল্পটাকে লাভজনক করতে হবে, ...

রাজশাহী মানেই সিল্কসিটি: পাটমন্ত্রী
রেশম শিল্পে আয় কম ব্যয় বেশি। এ নিয়ে আলোচনা ও গবেষণা করতে হবে। এর মধ্য দিয়ে এই শিল্পের ত্রুটি শনাক্ত করতে হবে। রাজশাহী মানেই আম, রাজশাহী মানেই সিল্ক। ঐতিহ্যবাহী এই শিল্পটাকে লাভজনক করতে হবে, শিল্পটাকে ধরে রাখতে হবে।

রবিবার (১০ জানুয়ারি) বিকালে রাজশাহীতে দুই দিনের সরকারি সফরে এসে বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সাথে মতবিনিময় কালে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী গোলাম দস্তোগীর গাজী বীরপ্রতীক এই কথাগুলো বলেন। বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের সম্মেলন কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। পরে তিনি আধুনিক পলুপালন ঘর এবং রেশম কারখানায় ১৯টি লুমের উদ্বোধন করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী-২ আসনের সংসদ সদস্য হাসেন বাদশা, সংরক্ষিত আসনের সাংসদ আদিবা আঞ্জুম মিতা, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব লোকমান হোসেন মিয়াসহ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

এদিকে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, রেশম শিল্পের উন্নয়নে ব্যয় কমিয়ে পণ্যের উন্নয়নে নজন দেয়া হচ্ছে। ব্যয় কমাতে গবেষণা ও উৎপাদনের জন্য নতুন করে কিছু বিনিয়োগ করতে হবে। সেই বিনিয়োগ কতটুকু কার্যকর হবে সে বিষয়ে আলোচনা করা হচ্ছে। আমরা যদি ব্যয় কমিয়ে রেশম সুতার উৎপাদন বাড়াতে পারি তবে বেসরকারি উদ্যোক্তারাই আমাদের কাছে ছুটে আসবে। ব্যয় কমিয়ে এবং উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে আমরা এই শিল্পটাকে একটা মডেল হিসেবে রাখতে চাই। যাতে করে তার কপি করে বেসরকারি উদ্যোক্তারা নিয়ে যেতে পারে। এর মধ্যে দিয়ে এই শিল্পের বিকাশ ঘটান সম্ভব হবে।

বন্ধ পাটকল চালু করা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পাটকলগুলো বসে আছে। এখন আমরা দ্রুত সময়ে লিজের মাধ্যমে কারখানাগুলো ব্যক্তিমালিকানায় দেবো। যাতে করে আধুনিকায়নের মাধ্যমে মিলগুলো চালু করা যায়। এর মধ্য দিয়ে বেকার শ্রমিকদের কর্মসংস্থান হবে।

পাটকল নিয়ে সরকারের ব্যর্থতা নেই উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, পাটকল শ্রমিকদের নিজ নিজ ব্যাংক অ্যাকাউন্টে তাদের সকল পাওয়া অর্থ বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। পাট শিল্পে সরকারি মিলগুলোর অবদান ছিলো মাত্র ৫ শতাংশ। বাকি ৯৫ শতাংশ বেসরকারি মালিকানায় ছিলো। যেহেতু ৯৫ শতাংশ বেসরকারি প্রতিষ্ঠান নিয়ে গেছে। সরকার কেন অহেতুক ৫ শতাংশ ভর্তুকি দিবে! পাট উৎপাদন আশা জাগাচ্ছে উল্লেখ করে মন্ত্রী আরো বলেন, পাটের এবার সর্বোচ্চ উৎপাদন হয়েছে। গত বছর ২ হাজার টাকা মণের পাট এবার বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ৫০০ টাকায়।

এরআগে তিনি মোহনপুর উপজেলার চাঁদপুর নপাড়া এলাকায় তুতগাছ পল্লী পরিদর্শন করেন।

ব্রেকিংনিউজ/এমএইচ