শহীদ মিনার নিয়ে মামলা, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অভিনব প্রতিবাদ

১৯৭১ সালে সুনামগঞ্জ স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম শহীদ মিনার নির্মাণ করা হয়। সেই থেকে প্রতিবছরই এই কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জাতীয় দিবসসমূহে শহীদদের স্মরণে শ্রদ্ধা জানানো হয়। কিন্তু শহীদ মিনারের অস্তিত্ব অস্বীকার করে ২০১৪ সালে মামলা দায়ের করা হয়। এরই প্রতিবাদে এবার ‘শহীদ দিবস’ ও ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে’ শহীদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলি প্রদান করবেন না বীর মুক্তিযোদ্ধারা। শনিবার (২০ ফেব্রয়ারি) রাতে জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ইউনিট কমান্ডের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী নুরুল মোমেন। বীর মুক্তিযোদ্ধারা জানান, শহীদ মিনারের পাশে পূর্ব পাকিস্তান আমলে মুনসেফ সাহেবের বাসভবন ছিল। শহীদ মিনারের জমির দখল টিকিয়ে রাখার জন্য জেলা জজ আদালতের নাজির বাদী হয়ে এখানে শহীদ মিনারের অস্তিত্ব অস্বীকার করে স্বত্ব মামলা (নম্বর ১৪৪/২০১৪) দায়ের করেছেন। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের দাবি- স্বাধীন দেশের প্রথম শহীদ মিনার অর্থাৎ একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক স্থাপনার কথা মামলায় উল্লেখ করা হয়নি। এই সম্পত্তির মূল মালিকানা গণপূর্ত অধিদফতরের। জানা গেছে, গত বছরের ৭ মার্চ মুক্তিযোদ্ধারা শহীদ মিনারের মর্যাদা রক্ষার দাবিতে শহীদ মিনার এলাকায় থাকা সকল বাণিজ্যিক স্থাপনা অপসারণসহ ছয় দফা দাবি জানান। দাবিগুলো হচ্ছে- শহীদ মিনারের চারপাশে অবৈধভাবে স্থাপনা নির্মাণকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ, আগামী ২৬ মার্চের আগেই সুনামগঞ্জ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পূর্ব ও পশ্চিম পাশের দোকানসহ সকল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, একই সময়ের মধ্যে জেলা জজের নাজির বাদী হয়ে দায়েরকৃত স্বত্ব মামলা (নম্বর ১৪৪/২০১৪) বাতিল, গেল দুই বছরে অবৈধ নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জেলা জজ আদালত সুনামগঞ্জে নিয়োগকৃতদের নিয়োগ বাতিল করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ, পুরোনো আদালত এলাকা থেকে অবৈধভাবে স্থাপিত গরুর খামার, দোকানপাট, রেস্টুরেন্ট, গোদাম, গ্যারেজ উচ্ছেদ, কাঠের পাটাতনের উপর নির্মিত পরিত্যক্ত পুরোনো জেলা জজ আদালত ভবনকে সুনামগঞ্জের ঐতিহ্য হিসেবে সংরক্ষণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার দাবি জানানো হয়েছিল। লিপসন আহমেদ/এএএইচ

শহীদ মিনার নিয়ে মামলা, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অভিনব প্রতিবাদ

১৯৭১ সালে সুনামগঞ্জ স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম শহীদ মিনার নির্মাণ করা হয়। সেই থেকে প্রতিবছরই এই কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জাতীয় দিবসসমূহে শহীদদের স্মরণে শ্রদ্ধা জানানো হয়। কিন্তু শহীদ মিনারের অস্তিত্ব অস্বীকার করে ২০১৪ সালে মামলা দায়ের করা হয়।

এরই প্রতিবাদে এবার ‘শহীদ দিবস’ ও ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে’ শহীদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলি প্রদান করবেন না বীর মুক্তিযোদ্ধারা। শনিবার (২০ ফেব্রয়ারি) রাতে জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ইউনিট কমান্ডের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী নুরুল মোমেন।

বীর মুক্তিযোদ্ধারা জানান, শহীদ মিনারের পাশে পূর্ব পাকিস্তান আমলে মুনসেফ সাহেবের বাসভবন ছিল। শহীদ মিনারের জমির দখল টিকিয়ে রাখার জন্য জেলা জজ আদালতের নাজির বাদী হয়ে এখানে শহীদ মিনারের অস্তিত্ব অস্বীকার করে স্বত্ব মামলা (নম্বর ১৪৪/২০১৪) দায়ের করেছেন।

বীর মুক্তিযোদ্ধাদের দাবি- স্বাধীন দেশের প্রথম শহীদ মিনার অর্থাৎ একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক স্থাপনার কথা মামলায় উল্লেখ করা হয়নি। এই সম্পত্তির মূল মালিকানা গণপূর্ত অধিদফতরের।

জানা গেছে, গত বছরের ৭ মার্চ মুক্তিযোদ্ধারা শহীদ মিনারের মর্যাদা রক্ষার দাবিতে শহীদ মিনার এলাকায় থাকা সকল বাণিজ্যিক স্থাপনা অপসারণসহ ছয় দফা দাবি জানান।

দাবিগুলো হচ্ছে- শহীদ মিনারের চারপাশে অবৈধভাবে স্থাপনা নির্মাণকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ, আগামী ২৬ মার্চের আগেই সুনামগঞ্জ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পূর্ব ও পশ্চিম পাশের দোকানসহ সকল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, একই সময়ের মধ্যে জেলা জজের নাজির বাদী হয়ে দায়েরকৃত স্বত্ব মামলা (নম্বর ১৪৪/২০১৪) বাতিল, গেল দুই বছরে অবৈধ নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জেলা জজ আদালত সুনামগঞ্জে নিয়োগকৃতদের নিয়োগ বাতিল করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ, পুরোনো আদালত এলাকা থেকে অবৈধভাবে স্থাপিত গরুর খামার, দোকানপাট, রেস্টুরেন্ট, গোদাম, গ্যারেজ উচ্ছেদ, কাঠের পাটাতনের উপর নির্মিত পরিত্যক্ত পুরোনো জেলা জজ আদালত ভবনকে সুনামগঞ্জের ঐতিহ্য হিসেবে সংরক্ষণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার দাবি জানানো হয়েছিল।

লিপসন আহমেদ/এএএইচ