স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে মামলা

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় মামলা হয়েছে। শুক্রবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে মামলাটি দায়ের করেন ধর্ষণের শিকার ওই স্কুলছাত্রীর বাবা। মামলার বিবরণীতে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো পাটগাতীস্থ সঞ্চারণ কোচিং সেন্টারে এই কিশোরী পড়া শেষ করে বাসার উদ্দেশে রওনা হয়। পথিমধ্যে তিনজন যুবক নতুন বাজার বটতলা নামক স্থান থেকে তার পথ রোধ করেন। ইজিবাইক চালকের সহযোগিতায় চোখ বেঁধে তাকে গোপন স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে তার নাকে চেতনা নাশক স্প্রে করা হয়। অজ্ঞান হয়ে পড়লে বন্ধুদের সহযোগিতায় তাকে ধর্ষণ করা হয়। পরে রাত ৮ টার দিকে অচেতন অবস্থায় তাকে তার বাসার সামনে ফেলে রেখে যান তারা। পরে তাকে চিকিৎসার জন্য তার পরিবার ১০০ শয্যা বিশিষ্ট টুঙ্গিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে যায়। অবস্থার অবনতি ঘটলে রাত ৯টায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে রেফার করেন। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অ্যাম্বুলেন্স চালক ছুটিতে থাকায় এবং টুঙ্গিপাড়া ফায়ার সার্ভিসের অ্যাম্বুলেন্স নষ্ট থাকায় তাকে মাহিন্দ্রাতে করে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেও তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে পরদিন ১৫ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৪টায় তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ভুক্তভোগীর স্কুলছাত্রীর বাবা বলেন, ‘আমার পরিবারের ওপর দিয়ে ঝড় বয়ে যাচ্ছে। আমি গতকাল রাতে টুঙ্গিপাড়া থানায় মামলা করেছি। আমি বাবা হিসেবে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।’ টুঙ্গিপাড়া থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এএফএম নাসিম বলেন, ‘এ বিষয়ে ভিকটিমের বাবা টুঙ্গিপাড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আসামিদের ধরার জোর প্রচেষ্টা রয়েছে। মেডিকেল টেস্টের জন্য ভিকটিমকে গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এসজে/এএসএম

স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে মামলা

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় মামলা হয়েছে। শুক্রবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে মামলাটি দায়ের করেন ধর্ষণের শিকার ওই স্কুলছাত্রীর বাবা।

মামলার বিবরণীতে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো পাটগাতীস্থ সঞ্চারণ কোচিং সেন্টারে এই কিশোরী পড়া শেষ করে বাসার উদ্দেশে রওনা হয়। পথিমধ্যে তিনজন যুবক নতুন বাজার বটতলা নামক স্থান থেকে তার পথ রোধ করেন। ইজিবাইক চালকের সহযোগিতায় চোখ বেঁধে তাকে গোপন স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে তার নাকে চেতনা নাশক স্প্রে করা হয়। অজ্ঞান হয়ে পড়লে বন্ধুদের সহযোগিতায় তাকে ধর্ষণ করা হয়। পরে রাত ৮ টার দিকে অচেতন অবস্থায় তাকে তার বাসার সামনে ফেলে রেখে যান তারা।

পরে তাকে চিকিৎসার জন্য তার পরিবার ১০০ শয্যা বিশিষ্ট টুঙ্গিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে যায়। অবস্থার অবনতি ঘটলে রাত ৯টায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে রেফার করেন। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অ্যাম্বুলেন্স চালক ছুটিতে থাকায় এবং টুঙ্গিপাড়া ফায়ার সার্ভিসের অ্যাম্বুলেন্স নষ্ট থাকায় তাকে মাহিন্দ্রাতে করে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেও তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে পরদিন ১৫ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৪টায় তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

ভুক্তভোগীর স্কুলছাত্রীর বাবা বলেন, ‘আমার পরিবারের ওপর দিয়ে ঝড় বয়ে যাচ্ছে। আমি গতকাল রাতে টুঙ্গিপাড়া থানায় মামলা করেছি। আমি বাবা হিসেবে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।’

টুঙ্গিপাড়া থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এএফএম নাসিম বলেন, ‘এ বিষয়ে ভিকটিমের বাবা টুঙ্গিপাড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আসামিদের ধরার জোর প্রচেষ্টা রয়েছে। মেডিকেল টেস্টের জন্য ভিকটিমকে গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এসজে/এএসএম