৬ উইকেটের জয়ে এগিয়ে গেল টাইগাররা

সফররত ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডে ম্যাচে সহজ জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। ১৬.১ ওভার ও ৬ উইকেট হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় টাইগাররা। বুধবার (২০ জানুয়ারি) মিরপুরে টসে জিতে প্রথমে ...

৬ উইকেটের জয়ে এগিয়ে গেল টাইগাররা
সফররত ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডে ম্যাচে সহজ জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। ১৬.১ ওভার ও ৬ উইকেট হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় টাইগাররা।

বুধবার (২০ জানুয়ারি) মিরপুরে টসে জিতে প্রথমে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় টাইগাররা। সফরকারীরা গুটিয়ে যায় ১২২ রানে। খেলে ৩২.২ ওভার।
 
জবাবে ১২৩ রানের জয়ের লক্ষে খেলতে নামে বাংলাদেশ। ধীরেসুস্থে খেলেন দুই ওপেনার। ১৩ ওভার পর্যন্ত কোনো উইকেট হারায়নি বাংলাদেশ। এরপর জয়ের বন্দরে নোঙড় করতে হারায় মোট ৪ উইকেট। শেষ পর্যন্ত ৩৩.৫ ওভার খেলে জয় পায় তামিমরা। 

এর আগে সাকিব-হাসানদের বোলিং তোপে ১২২ রানে গুটিয়ে যায় উইন্ডিজ। বল হাতে সাকিবের ফেরাটা হলো রঙীন। অভিষেকে আলো ছড়ালেন তরুণ পেসার হাসান মাহমুদ। কাটার মাস্টার মোস্তাফিজুর রহমান তার বোলিংয়ে রাখলেন জাদুর ছোঁয়া। সব মিলিয়ে দুর্দান্ত এক বোলিং বিভাগই দেখা গেল বাংলাদেশের। আর তাতে রীতিমতো কোণঠাসা ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ছয়জনের অভিষেকের ম্যাচে উইন্ডিজ শিবির আগে ব্যাট করতে নেমে গুটিয়ে গেল প্রত্যাশার চেয়ে কম রানে।

বল হাতে সাকিবের চার উইকেট। অভিষিক্ত হাসান মাহমুদ নিয়েছেন তিন উইকেট। জিততে হলে বাংলাদেশের দরকার মাত্র ১২৩ রান। ঘরের মাঠে এমন টার্গেটে জয় বাংলাদেশের জন্য সহজই। সেই কাজটি সফর করতে দরকার ব্যাটসম্যানদের দৃঢ়তা।

অনভিজ্ঞ দল। ছয়জনের অভিষেক। এমন উইন্ডিজ টিম ব্যাট হাতে কার্যত ব্যর্থ ছিল বাংলাদেশের বোলারদের সামনে। একজন ব্যাটসম্যানও পাননি ফিফটির দেখা। সর্বোচ্চ ৪০ রান এসেছে কাইল মায়ার্সের ব্যাট থেকে। এটি ছিল মায়ার্সের অভিষেক ওয়ানডে ম্যাচ। ৫৬ বলের ইনিংসে চারটি চার ও একটি ছক্কা হাকিয়েছেন মায়ার্স। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৮ রান করেন রভম্যান পাওয়েল। ৩১ বলের ইনিংসে রভম্যান হাকিয়েছেন সমান দুটি করে ছক্কা ও চার।
 
অধিনায়ক জেসন মাহমুদ প্রতিরোধের জোর চেষ্টা করেছেন। কিন্তু সাকিবের বলে তিনি স্ট্যাম্পিংয়ের শিকার। ৩৬ বলে কোনো বাউন্ডারি ছাড়া তার সংগ্রহ ১৭ রান। অভিষিক্ত আন্দ্রে ম্যাকার্থি ৩৪ বলে করেন ১২ রান। তিনি সাকিবের নিরীহ একটি বলে সরাসরি বোল্ড। বাকি সব ব্যাটসম্যানদের রান ছিল দুই অঙ্কের নিচে।

দুই ওপেনার সুনিল এমব্রিস (৭) ও জসুয়া ডি সিলভা (৯) মোস্তাফিজের শিকার। লোয়ার অর্ডারে রাইমন রেইফার (০) ও অভিষিক্ত আকিল হোসেন (১) হাসান মাহমুদের বলে আউট হন। মিডল অর্ডারে ভরসার জায়গা বোনার ৪ বল খেলেও রানের খাতা খুলতে পারেননি। তিনি সাকিবের বলে এলবিডব্লিউ।

বল হাতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরাটা দারুণ হলো সাকিব আল হাসানের। ৭.২ ওভারে দুটি মেডেনে উইকেট পেয়েছেন সর্বোচ্চ চারটি। রান দিয়েছেন মাত্র ৮। ইকোনমি রেট ১.০৯। সেখানে অভিষেকে ৬ ওভারে এক মেডেনে তিন উইকেট নিয়েছেন হাসান মাহমুদ। তিনি অবশ্য রান দিয়েছেন একটু বেশি সাকিবের তুলনায়, ২৮। মোস্তাফিজ ছিলেন নিজ ছন্দে। ৬ ওভারে মেডেন না পেলেও ২০ রানে নেন দুটি মূল্যবান উইকেট। বাকি একটি উইকেট পান স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজ। সাত ওভারে ১ মেডেনে ২৯ রান দেন তিনি।

ব্রেকিংনিউজ/এএফকে