জীবনে সফল হতে পাঁচ অভ্যাস

প্রতিটি মানুষেরই ইচ্ছা-আকাঙ্ক্ষা থাকে সুস্থ সুন্দর জীবন গড়ে তোলার জন্য। ইচ্ছা থাকে জীবনে সফল হওয়ার। কিন্তু সফলতা কী সহজেই ধরা দেয়। বিশ্বের বিখ্যাত বা সফল মানুষদের জীবন পর্যালোচনা করলে দেখা যায় তাদের ব্যক্তিত্ব বেশ সুন্দর ছিল। তারা অনেক পরিশ্রমী ছিল। সংগ্রাম ও পরিশ্রমের মাধ্যমে সফল হয়েছেন তারা। আমাদের মধ্যে অনেকেই সেই সকল বিখ্যাতদের অনুসরণ করে থাকি সফল হওয়ার জন্য।

জীবনে সফল হতে পাঁচ অভ্যাস

একটু পরিশ্রম করার পর ব্যর্থ হলেই হাঁপিয়ে উঠি আমরা। কেউ কেউ অল্পতেই থেমে যায়। এখানেই শেষ হয় সুন্দর ও কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছার ইচ্ছা। এবার তাহলে জীবনে সফল হওয়ার কয়েকটি অভ্যাস তুলে ধরা হলো। যে অভ্যাসগুলো নিজের মধ্যে গড়ে তুলতে পারলেই সফল হবেন আপনিও।

অতীত নিয়ে না ভাবা : অতীতে কম-বেশি সকলরেই খারাপ স্মৃতি থাকে। থাকে কিছু ভুল কাজ। কেন ভুল হয়েছিল, কী ভুল করেছিলেন, কে আঘাত করেছে বা কে ছেড়ে গেছে এসব নিয়ে বসে থাকলে সফলতা আসবে না জীবনে। সামনের দিকে এগিয়ে চলতে হবে। কোন কাজে, পেশায় বা ব্যবসায় সফল হতে চান সেই বিষয়ে পরিকল্পনা করুন। সময় নিয়ে কাজ করুন।

ক্ষোভ নয় : নিজের মধ্যে নিজেকে নিয়ে কোনো ক্ষোভ রাখা যাবে না। মনের মধ্যে রাগ পুষে রাখলে নিজেরই ক্ষতি হয়। তাই এসবকে কিঞ্চিৎ বা তুচ্ছ ভাবুন। নিজেকে হালকা রাখবেন, দেখবেন মনই আপনাকে শান্তি যোগাবে।

সাধ্যমতো সহায়তা করা : যা সাধ্য আছে সেই অনুযায়ী সহায়তা করবেন। নিজের কাছে পাঁচশ টাকা থাকল সেখান থেকে ৫০ টাকা বা ১০০ টাকা দিয়ে দরিদ্রদের সহায়তা করুন। আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী আরও কম বা বেশি টাকা দিয়ে সহায়তা করতে পারেন। দরিদ্রদের সঙ্গে এভাবে ছোট ছোট আনন্দময় মুহূর্ত তৈরি করুন। আপনিই প্রশান্তি পাবেন।

মনকে গুরুত্ব দেয়া : মনের উপর কখনো জোর করবেন না। মন যা চাইবে তাই করতে দিন। তবে হ্যা, কখনো নিষিদ্ধ, রাষ্ট্রদ্রোহী বা অনৈতিক কিছুতে সায় দেয়া যাবে না। কারণ আপনি সফল হলে পুরো জাতির কাছে আদর্শ হয়ে উঠবেন আপনি। আপনার থেকে জাতির শিক্ষা নেয়ার থাকবে। নিজেকে বৃহৎ ভাবতে হবে। নিজের মন যখন ভালো কিছু ভাববে তা গুরুত্ব দিবেন। নিজের কাজকে গুরুত্ব দিবেন। নিজ সিদ্ধান্তেই হয়ে উঠবেন সেরা।

সম-মানসিকতার মানুষদের সঙ্গে সময় কাটান : যার তার সঙ্গে মিশবেন না। যার সঙ্গে আপনার মন-মানসিকতার মিল হবে না তার সঙ্গে কখনো মিশবেন না। এতে আপনার চিন্তা শক্তির ক্ষতি হবে। যার সঙ্গে মিল খুঁজে পাবেন, যার মধ্যে ভালো চিন্তা শক্তি খুঁজে পাবেন তার সঙ্গে কথা বলবেন, যেকোনো বিষয়ে আলোচনা করবেন। এতে বরং সৎপরামর্শ পাবেন, নিজেও ভালো কিছু শিখবেন। নিজের কোনো ক্ষতি হবে না।