শার্শার বাগুড়ি-বেলতলা আমের হাট পরিদর্শনে কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী ও কৃষি অফিসার

দেশের দক্ষিণ পশ্চিম অঞ্চলের যশোর সিমানা শেষ সংলগ্ন সাতক্ষীরার সিমানার সাথে সংযুক্ত শার্শা বাগুড়ি-বেলতলার আমের হাট পরিদর্শন করেছেন কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার জুবায়ের হোসেন চৌধুরী ও উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রফিকুল ইসলাম।

শার্শার বাগুড়ি-বেলতলা আমের হাট পরিদর্শনে কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী ও কৃষি অফিসার
২/৫/২১তাং রবিবার সকাল ১০টার ঘটিকার সময় বাগুড়ি-বেলতলার হাট পরিদর্শন করেন উপজেলার নির্বাহি অফিসার ও বিভিন্ন  কর্মকর্তা বৃন্দরা। 
তবে করোনার এই পরিস্থিতিতে নিরাপদ আম বাজারজাতকরণ দেখে কর্তকর্তারা সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। 
এসময় উপস্থিত ছিলেন উপ-সহকারী কৃষি অফিসারন একেএম মামুনুর রশিদ, মৃনাল কান্তি সরকার, গোলাম রসুল, এএসআই নুরুজ্জামান, 
বাগুড়ি-বেলতলা আম ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি ইউপি সদস্য নাসির, সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান মিলন,আম ব্যবসায়ী শরিফুল ইসলাম, এসআর এন্টারপ্রাইজের প্রোপ্রাইটার আম ব্যবসয়ী ও ইউপি সদস্য সাইফুল ইসলাম প্রমুখ। 
উল্লেখ্য-এখানকার ব্যবসায়ীরা সরকারি আদেশ মেনে ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে সঠিক সময়ে আম বাজারজাত করছেন। স্হানীয় এলাকাবাসী বা ব্যাবসায়ীরা বলেন বর্তমানে গোবিন্দভোগ আম ভাঙা শুরু হয়েছে। বাজারে এই আমের প্রতি মণ যাচ্ছে-১৮০০শ থেকে ২০০০ হাজার টাকায়। স্বাস্থ্যবিধি মেনে এই হাটে চাষীরা নিয্য মূল্যে আম বিক্রয় করছেন। 
উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রফিকুল ইসলাম বলেন, বাইরে থেকে যারা আম কিনতে আসবেন, তাদেরকে কমপক্ষে তিন দিন কোয়ারিন্টিনে থাকতে হবে। এছাড়া আম চাষিদের সুবিধার্থে ২১মে হিমসাগর, ২৭মে ল্যাংড়া, ৪জুন আমরুপালি ভাঙার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। তিনি আরো জানান, এবছর এখনো  ঝড়-বৃষ্টি হয়নি। তাপদাহে আম কিছুদিন আগে থেকে পরিপক্ক হয়েছে। তাই ভাঙার দিন ও তারিখও এগিয়ে আনার পাশা পাশি সচেতনতার দিক খেয়াল রাখতে হবে।