সাকিবের শাস্তির ব্যাপারে ম্যাচ রেফারির রিপোর্টের অপেক্ষা

একটি আবাহনী-মোহামেডান ম্যাচ, তিনটি আলোচিত ঘটনা; তিনটিতেই মূল চরিত্রে সাকিব আল হাসান। শুক্রবার ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের জমজমাট ম্যাচটিতে প্রথমে স্ট্যাম্পে লাথি মারেন সাকিব, পরে তিনটিই মাটিতে আছাড় মারেন আর সবশেষ আবাহনী ডাগআউটের সামনে দেখা যায় উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়

সাকিবের শাস্তির ব্যাপারে ম্যাচ রেফারির রিপোর্টের অপেক্ষা

একটি আবাহনী-মোহামেডান ম্যাচ, তিনটি আলোচিত ঘটনা; তিনটিতেই মূল চরিত্রে সাকিব আল হাসান। শুক্রবার ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের জমজমাট ম্যাচটিতে প্রথমে স্ট্যাম্পে লাথি মারেন সাকিব, পরে তিনটিই মাটিতে আছাড় মারেন আর সবশেষ আবাহনী ডাগআউটের সামনে দেখা যায় উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়।

এতসব ঘটনার পরে ম্যাচের জয়ী দল সাকিবের মোহামেডানই। বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচটিতে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আবাহনীকে ৩১ রানে হারিয়ে তিন ম্যাচ পর জয়ে ফিরেছে সাদা-কালোরা। তবে মাঠে ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণের কারণে শাস্তির মুখে পড়তে যাচ্ছেন সাকিব, তা প্রায় নিশ্চিত।

সেই শাস্তির মাত্রা কতটুকু হবে, তা নিয়েই এখন যত আলোচনা। এর সদুত্তর মেলেনি কোথাও। প্রিমিয়ার লিগ ক্রিকেটের আয়োজক সংগঠন সিসিডিএম চেয়ারম্যান কাজী ইনাম জানিয়েছেন, সাকিবের শাস্তির ব্যাপারে সিদ্ধান্তের জন্য করতে হবে ম্যাচ রেফারির রিপোর্টের অপেক্ষা।

প্রতি ম্যাচের পরই ম্যাচ রেফারির কাছে খেলার রিপোর্ট দিয়ে জমা দিয়ে থাকেন দুই আম্পায়ার। তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে যেকোনো সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন ম্যাচ রেফারি। আবাহনী-মোহামেডান ম্যাচের রেফারি ছিলেন মোরশেদুল আলম। তার রিপোর্টের ভিত্তিতেই নেয়া হবে সিদ্ধান্ত।

ম্যাচ শেষে বিসিবি কার্যালয়ের সামনে সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে আলাপে সিসিডিএম চেয়ারম্যান কাজী ইনাম বলেছেন, ‘খেলার মাঠে অনেক কিছুই হয়। আজকে আবাহনী-মোহামেডানের ম্যাচ ছিল। সেখানে আমরা অনেক উত্তেজনা দেখলাম। সাকিব আল হাসানকে ঘিরে কিছু ঘটনা আমরা দেখেছি। এটা ফেসবুক লাইভ, ইউটিউব থেকেও সবাই দেখতে পেয়েছে।’

‘বিষয়টা দুঃখজনক। ক্রিকেট এমন একটা খেলা, যেখানে এমন উত্তেজনাপূর্ণ সময় এসে যেতে পারে। তবে আমরা আশা করব খেলোয়াড়রা তাদের আবেগ নিয়ন্ত্রণে রাখবে। এই খেলাটি আইসিসি স্বীকৃত ম্যাচ। এসব বিষয় নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ম্যাচ রেফারি, আম্পায়াররা আছেন। তারা একটা রিপোর্ট দেবেন। সবকিছুরই নিয়ম আছে। কোন নিয়ম ভাঙলে কী শাস্তি, সে অনুযায়ীই ব্যবস্থা নেয়া হবে’-যোগ করেন ইনাম।

সেই শাস্তির মাত্রা কেমন হতে পারে? এমন প্রশ্নের জবাবে বিশেষ কিছু বলতে পারেননি ইনাম। তিনি বলেছেন, ‘শাস্তি কেমন হবে সেটা রিপোর্টের ওপর নির্ভর করছে। তারা যা বলবে, সেভাবেই সিদ্ধান্ত হবে।’