বেনাপোল পেট্রাপোলের নো-ম্যান্স ল্যান্ডে ট্রাক পার্কিয়ের বিষয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত

জেলার বেনাপোল স্থলবন্দরের ওপারে পেট্রাপোল বন্দরের কালিতলা পার্কিংয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকা আট হাজার ট্রাকের সমস্যা নিয়ে দু’দেশেরে ব্যবসায়ীক নেতা, কাস্টমস ও বন্দর কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ নভেম্বর) দুপুর ১২টার সময় বেনাপোল ও পেট্রাপোলের নো-ম্যান্স ল্যান্ড এলাকায় এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

 

বেনাপোল কাস্টম হাউজের কমিশনার মো. আজিজুর রহমানের নেতৃত্বে এই বৈঠক হয়। এ সময় ভারতের অংশে উপস্থিত ছিলেন পেট্রপোল কাস্টমসের সহকারী কমিশনার, বনগাঁ পৌরসভার মেয়র গোপাল সেট ও বন্দর কর্মকর্তারা। এ সময় বেনাপোল ও পেট্রাপোল বন্দরের নানা সমস্যা সমাধানের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে আরও উপস্থিত ছিলেন- বেনাপোল কাস্টমস হাউসের যুগ্ম- কমিশনার আব্দুল রশিদ মিয়া, উপ-কমিশনার অনুপম চাকমা, বেনাপোল বন্দর উপ-পরিচালক আব্দুল জলিল, বেনাপোল সি অ্যান্ড এফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান সজন, সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক লতা, বেনাপোল সিএন্ড এফ এজেন্ট স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমানসহ ব্যবসায়ী নেতারা।

 

বেনাপোল বন্দরের উপ-পরিচালক আব্দুল জলিল বলেন, কালিতলা পার্কিংয়ে যে ট্রাকগুলো বাংলাদেশে প্রবেশের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে আছে। ভারতীয় বন্দর ও পৌরসভা আন্তরিক হয় তাহলে ব্যবসায়ীরা উপকৃত হবেন। বেনাপোল স্থল বন্দরের প্রতি দিন ৭০০ ট্রাক নেওয়ার সক্ষমতা রয়েছে।

বেনাপোল সি এন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান সজন বলেন, ভারতের কালিতলা পার্কিং ও সি ডাব্লিউসি’তে এক মাস একটা পণ্যবাহী আমদানি ট্রাক দাঁড়িয়ে থাকলে প্রতিদিন ২ হাজার টাকা করে ক্ষতিপূরণ দিতে হয়। এতে করে ব্যবসায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ব্যবসায়ীরা। এখানে দু-দেশের কাস্টমস বন্দর কর্মকর্তারা বিষয়টা গুরুত্ব সহকারে দেখবেন, তা নাহলে এই বন্দর থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে ব্যবসায়ীরা।

 

বেনাপোল কাস্টমস হাউসের যুগ্ম-কমিশনার আব্দুল রশিদ মিয়া জানান, বেনাপোল কাস্টমস হাউসের কমিশনারের নেতৃত্ব আজ এই বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে। কিভাবে সমস্যার সমধান করা যায়, সেই বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। আশা করি অতি দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে।