দৌলতপুরে পদ্মার তীব্র ভাঙ্গনে বসত বাড়ী রক্ষার্থে : প্রধানমন্ত্রীর সহযোগীতা চাই

কুষ্টিয়া দৌলতপুর উপজেলার মরিচা ইউনিয়নের বৈরাগীর চর থেকে হাটখোলা ভুরকাপাড়া পর্যন্ত ও ভেড়ামারার উপজেলা জুনিয়াদহ ইউনিয়নের এক অংশে প্রমতœ পদ্মার ভাংগনে বিলিন হচ্ছে হাজার হাজার একর আবাদী জমি। ভাংগন অব্যাহত থাকলে অচিরেই হাজার হাজার বসত ভিটা নদীগর্ভে বিলীন হবার সম্ভাবনা রয়েছে।

 

মরিচা ও জুনিয়াদহ এলাকার নদী তীরবর্তী মানুষরা জানান, আমাদের হাজার হাজার একর আবাদি জমি ইতোমধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। কিন্তু এবছর পদ্মার তীব্র ভাংগন দেখা দেয়ায় জমিতে রোপনকৃত কাঁচা ফসলসহ নদীগর্ভে চলে গেছে। নদীর তীব্র ভাঙনে নির্ঘুম রাত কাটাতে হচ্ছে, মনে হচ্ছে এই বুঝি ঘুমন্ত অবস্থায় আমিও আমার বসতি সহ নদীগর্ভে চলে যায়়। আমাদের বসত ভিটা রক্ষার্থে কুষ্টিয়া ১ দৌলতপুর আসনের সংসদ সদস্য আ কা ম সরওয়ার জাহান বাদশাহ, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক মাহাবুব-উল আলম হানিফ এমপি ও আমাদের মমতাময়ী মা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

গত মঙ্গলবার(২৩নভেম্বর) দুপুরে ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শনে আসেন বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড কুষ্টিয়া তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আব্দুল হামিদ ও নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আফছার উদ্দিন , এসময় আব্দুল হামিদ গণমাধ্যমকে জানান, আপনারা জানেন ভাঙ্গনরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড হাজার হাজার জিও ব্যাগ ফেলেছে। জিও ব্যাগ ফেলে সামরিক সুফল পেলেও বন্যার পানি নামার সাথে সাথে ভাঙ্গন বৃদ্ধি পেয়েছে। ইতিমধ্যে আমরা ভাঙ্গন রোধে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডে একটি প্রকল্প দিয়েছি আশা করি এ বছরেই প্রকল্পটি পাস হবে। এবং এই অঞ্চলের মানুষ নদী ভাঙ্গন রোধে একটি স্থায়ী সমাধান পাবে।

 

এ বিষয়ে কুষ্টিয়া ১ দৌলতপুর আসনের সংসদ সদস্য আ. কা. ম. সরওয়ার জাহান বাদশাহ জানান, এ বছরের মাঝামাঝি সময়ে় নদী ভাঙ্গন শুরু হয়। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড কুষ্টিয়ার সহযোগিতায় ভাঙ্গনরোধে জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছে। বন্যা নামার সাথে সাথে প্রবল ভাঙ্গন শুরু হওয়াতে ভাঙ্গন রোধে স্থায়ী সমাধানের জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড কুষ্টিয়া ভাঙ্গন রোধে একটি প্রকল্প দিয়েছে ইনশাআল্লাহ এই বছরে প্রকল্পটি পাশ হবে। এবং এ অঞ্চলের মানুষ স্থায়ী সমাধান পাবে।