বাড়তে পারে বৃষ্টি, তাপমাত্রা নামতে পারে ৬ ডিগ্রিতে

চলতি ডিসেম্বর মাসে দেশে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে বেশি বৃষ্টি হতে পারে। একইসঙ্গে এই মাসে এক থেকে দুটি মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। ওই সময় তাপমাত্রা ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নামতে পারে বলে আবহাওয়া অধিদফতরের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে বলা হয়েছে।

 

আবহাওয়াবিদ আব্দুল মান্নান বলেন, এই মাসে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বৃষ্টি হতে পারে বলে আমরা পূর্বাভাস দিয়েছি। ইতোমধ্যে একটি নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছিল। এই মাসে তাপমাত্রা আরও কমে যাবে।

 

এদিকে দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে বলা হয়, ডিসেম্বর মাসে দেশের দক্ষিণ ও উত্তরপূর্বাঞ্চলে স্বাভাবিক অপেক্ষা বেশি এবং অবশিষ্টাংশে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত হতে পারে। এ মাসে বঙ্গোপসাগরে এক থেকে দুটি নিম্নচাপ সৃষ্টি হতে পারে যার মধ্যে ১টি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। তবে এটি বাংলাদেশ উপকূলে আসার সম্ভাবনা কম। ডিসেম্বর মাসে দিন ও রাতের তাপমাত্রা ক্রমান্বয়ে কমতে থাকবে। তবে এ মাসে গড় তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকতে পারে।

 

এছাড়া ডিসেম্বর মাসের শেষার্ধে দেশের উত্তর, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে এক থেকে দুটি মৃদু অর্থাৎ ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস অথবা মাঝারি অর্থাৎ  ৮ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এছাড়া এই মাসে দেশের নদী অববাহিকায় ভোররাত থেকে সকাল পর্যন্ত হালকা বা মাঝারির কুয়াশা পড়তে পারে।

 

আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমান বলেন, এই বৃষ্টির পর থেকেই কমতে শুরু করবে তাপমাত্রা।  এই মাসে মাঝামাঝির পর থেকে যেকোনও সময় শৈত্যপ্রবাহ বইতে পারে। ওই সময় তাপমাত্রা ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নামতে পারে। এখনও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা গড়ে ১২ থেকে ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস আছে।

 

রবিবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল তেতুলিয়াতে ১৪ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।  এছাড়া বিভাগীয় শহরগুলোর মধ্যে ঢাকায় ২১ দশমিক ২, ময়মনসিংহে ১৯ দশমিক ৮, চট্টগ্রামে ২১ দশমিক ৮, সিলেটে ১৭,  রাজশাহীতে ২০,  রংপুরে ১৮ দশমিক ২, খুলনায় ২১ এবং বরিশালে ২০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।