দামুড়হুদায় দুই সন্তানের জননীকে শ্বাসরোধে হত্যা

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলায় যৌতুকের টাকা না দেওয়ায় দুই সন্তানের জননী সুফিয়া খাতুনকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তার স্বামীকে আটক করা হয়েছে।

 

শুক্রবার (৭ জানুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। এর আগে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে হত্যার ঘটনা ঘটে।

 

নিহত সুফিয়া খাতুন উপজেলার জুড়ানপুর গ্রামের মসজিদপাড়ার ইসলাম আলীর মেয়ে। আটককৃত ব্যক্তি একই গ্রামের মাদরাসাপাড়ার নিজাম উদ্দিনের ছেলে জাকিরুল ইসলাম।

 

জানা গেছে, ১৮ বছর আগে সুফিয়া খাতুনের সঙ্গে জাকিরুল ইসলামের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে বিভিন্ন সময় যৌতুকের দাবি করে আসছিলেন জাকিরুল। কয়েকবার মোটা অঙ্কের টাকা দেওয়া হয়। কিন্তু আরো টাকা দাবি করে আসছিলেন তিনি।

 

নিহতের বড় ভাই আব্দুর রশিদ বলেন, জাকিরুল যৌতুকের দাবিতে প্রায়ই আমার বোনকে মারধর করতো। ২৮ ডিসেম্বর সুফিয়াকে মারধর করে একটি দাঁত ভেঙে দেয় জাকিরুল। বৃহস্পতিবার রাতে তাকে আবারো মারধর করে সে। রাত আড়াইটার দিকে সুফিয়ার চিকিৎসার জন্য কবিরাজ নিয়ে আসে জাকিরুল। আজ সকালে জানতে পারি আমার বোন মারা গেছেন। তার গলায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।

 

এ বিষয়ে দামুড়হুদা মডেল থানার ওসি ফেরদৌস ওয়াহিদ জানান, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।