দৌলতপুর সীমান্তে অস্ত্রের মুখে গৃহবধুকে ধর্ষণ

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে অস্ত্রের মুখে এক গৃহবধুকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেছে সীমান্তের শীর্ষ মাদক পাচারকারী ও সন্ত্রাসী আলমগীর (২৮)। বুধবার রাত ৮টার দিকে উপজেলার প্রাগপুর ইউনিয়নের সীমান্ত সংলগ্ন পাকুড়িয়া গ্রামে ধর্ষণের এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আজ বৃহস্পতিবার সকালে দৌলতপুর থানায় ধর্ষকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

 

দৌলতপুর থানা পুলিশ ও ধর্ষিতা পরিবার সূত্রে জানাগেছে, পাকুড়িয়া গ্রামের নাসিম ডাকাতের ছেলে সীমান্তের শীর্ষ মাদক পাচারকারী ও সন্ত্রাসী আলমগীর বুধবার রাতে মাদক পাচারকালে বিএসএফ’র ধাওয়া খেয়ে বাংলাদেশ সীমানায় পালিয়ে আসে।

 

এসময় সে সশস্ত্র অবস্থায় পাকুড়িয়া গ্রামের উল্লাত হোসনের বাড়িতে প্রবেশ করে ঘরের দরজা খুলতে বলে। স্বামীর অনুপস্থিতিতে উল্লাত হোসেনের স্ত্রী (২০) ঘরের দরজা খুলতে অস্বীকৃতি জানালে ‘পুলিশ আমাকে ধরার জন্য তাড়া করেছে এই বলে অনুন্বয় বিনয় করে আলমগীর’। একপর্যায়ে ঘরের দরজা খোলা হলে আলমগীর ঘরে প্রবেশ করে এবং গলায় অস্ত্র ধরে উল্লাত হোসেনের স্ত্রীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ধর্ষণ শেষে চলে যাওয়ার সময় এ ঘটনা কাউকে না বলার জন্য প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে যায় ধর্ষক আলমগীর।

 

ধর্ষণের ঘটনা ধর্ষিতা তার স্বামী উল্লাত হোসেনকে জানালে তারা উভয়েই দৌলতপুর থানায় উপস্থিত হয়ে ধর্ষণের মামলা করেন যার নং ১০। মামলার বাদী ধর্ষিতা গৃহবধু নদী আক্তার বাদী নিজেই।

 

ধর্ষণের ঘটনা ও মামলার বিষয়ে দৌলতপুর থানার ওসি এস এম জাবীদ হাসান বলেন, বৃহস্পতিবার সকালে ধর্ষণের একটি মামলা হয়েছে। তবে ঘটনা পরকীয়া সংক্রান্ত কি না তা তদন্ত করে দেখা হবে।