দামুড়হুদায় ১০টাকার জন্য শিশুকে জবাই করে হত্যা

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার সীমান্তবর্তী কানাইডাঙ্গা গ্রামে ইয়ামিন হোসেন (১০) নামের এক শিশুকে জবায় করে হত্যা করা হয়েছে। একই গ্রামের জাহিদুল ইসলাম (১৬) বিরুদ্ধে ধারালো হাসুয়া দিয়ে জবাই করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। নিহত ইয়ামিন কানাইডাঙ্গা গ্রামের রাজ্জাকের নাতিছেলে ও বিত্তিপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩য় শ্রেনীর ছাত্র।

 

শনিবার দুপুর ২টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর জাহিদ পলাতক রয়েছে।

 

স্থানীয়রা জানায়, ইয়ামিন ও তার বন্ধু গ্রামের পাশের একটি আমবাগানে খেলা করছিল। দুপুরে ঐ গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য আসাদুল হকের ছেলে ও কানাইডাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনীর ছাত্র জাহিদুল ইসলাম শিশুটিকে মুড়ি কিনতে ১০টাকা দিয়ে দোকানে পাঠায়।এসময় সে মুড়ি না কিনে ঐ টাকায় টাকায় দিয়ে অন্য কিছু খেয়ে ফেলে।জাহিদুল টাকা ফেরত চাইলে সেদিতে না পারায় ক্ষিপ্ত হয়ে তার হাতে থাকা ধারালো হাসুয়া দিয়ে জবায় করে হত্যাকরে মরদেহ একটি পরিত্যক্ত কবরস্থানের নিকট ফেলে রাখে পালিয়ে যায়।

 

পরে তার বন্ধু বাড়ীতে খরর দেয়। খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন মরদেহ উদ্ধার করে বাড়ী নিয়ে আসে।উল্লেখ্য মৃত ইয়ামিনের বাড়ী দামুড়হুদা উপজেলার জয়রামপুর গ্রামে হলে ও ছোট থেকে নানার বাড়ী কানাইডাঙ্গাতেই থাকতে।
ইয়ামিনের মা’রিনা খাতুন বলেন, আমার ছেলেকে জাহিদুল জবাই করে হত্যা হরেছে।

 

কার্পাসডাঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল করিম বিশ্বাস জানান,আমি মুড়ি কেনাকে কেন্দ্র করে ঘঁনাটি ঘটেছে। সকলের ধারনা টাকা ফেরত দিতে না পারায় সে তাকে হত্যা করা হয়েছে।

 

দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফেরদৌস ওয়াহিত ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান,মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।আসামি জাহিদকে আটক জন্য অভিযান চলছে।#