চুয়াডাঙ্গায় বিজিবি’র ৯৭তম রিক্রুট ব্যাচের সমাপনী কুচকাওয়াজ সম্পুর্ণ

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের ৯৭তম রিক্রুট ব্যাচের সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠান উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়। প্যারেড, মার্কার কল, কুচকাওয়াজ, শপথ, পুরস্কার বিতরণ, মহাপরিচালকের ভার্চুয়ালি বক্তব্য, প্রধান অতিথির বক্তব্যসহ নানা কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে ৯৭তম রিক্রুট ব্যাচের সমাপনী সম্পর্ণ হয়। ৬ মাসের প্রশিক্ষণ শেষ করেন নতুন সৈনিকরা। সেরা তিন জন সৈনিককে পুরস্কার প্রদান করা হয়। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত চুয়াডাঙ্গা-৬ ব্যাটালিয়ন কার্য্যলয়ে সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়।

 

বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় মার্কার কলের মাধ্যমে ৯৭তম রিক্রুট ব্যাচের সমাপনী কুচকাওয়াজ শুরু হয়। এরপর পর্যায়ক্রমে অন্য কর্মসূচি পালিত হয়। সকল কর্মসূচিতে অংশ গ্রহণ করেন ৯৭তম রিক্রুট ব্যাচের সকল সদস্য। ২১৫ জন সদস্য ৬ মাসের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। এদের মধ্যে ৩ জন সৈনিককে পুরস্কার হিসাবে ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

 

৯৭তম রিক্রুট ব্যাচের সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখেন বিজিবির মহাপরিচালক, প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত মহাপরিচালক(সদর) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল বেনজীর আহমেদ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া সেক্টর কমান্ডার কর্ণেল মহিউদ্দিন মো: জাবেদ, চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবির পরিচালক লে. কর্ণেল মো: খালেকুজ্জামান প্রমুখ।

 

প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্যে অতিরিক্ত মহাপরিচালক(সদর) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল বেনজীর আহমেদ বলেন, তোমরা এখান থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে ভবিষ্যতে দেশের জন্য কাজ করবে। তোমাদের মধ্যে থেকে তিন জন সদস্য সেরা হয়েছে।

 

৯৭তম রিক্রুট ব্যাচের সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি বক্তব্যে বিজিবির মহাপরিচালক বলেন, মুক্তিযুদ্ধে আর যে কোন বাহিনির চেয়ে আতœত্যাগ সর্বোচ্চ ছিলে বিজিবির। সীমান্তের অতন্ত্য প্রহরী হিসাবে ৪৪২৭ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত সুরক্ষা ও সীমান্ত ভূমি-সম্পদের নিরাপত্তা বিধানের মহান দায়িত্ব পালন করছে সফলতার সাথে। সীমান্তে চোরাচালান, নারী-শিশু পাচারসহ যে কোন ধরনের অপরাধ দমনে দায়িত্ব পালন করে আসছে। স্বাধীনতার পর দেশ গঠন ও দেশ মাতৃকার সেবায় এ বাহিনির সদস্যরা গুরুদায়িত্ব পালনের পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরে দুর্যোগময় সময়ে জনগনের সেবায় যে কোন মূহুর্তে কাজ করেছেন।