দামুড়হুদায় রোরো ধানে নেক ব্লাষ্ট রোগ:দুচিন্তায় কৃষককুল

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ধান ক্ষেতে নেক বøাস্ট রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে।এই ভাইরাস ব্যপকহারে ছড়িয়ে পড়তে পারে এমন আশংখায় দুচিন্তা গ্রস্তহয়ে পড়েছে কৃষক কুল।স্থানীয় কৃষি বিভাগ এই ভাইরাস প্রতিরোধে নানা পরামর্শ দিয়ে আসছে।

 

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানাগেছে, নেক ব্লাষ্ট একটি মারাতœক ভাইরাস। এই ভাইরাস ধানের শীষ বের হওয়ার পর সাধারনত আক্রান্ত হয়ে থাকে।শীষ বের হলে এর গোড়া থেকে পচন ধরে শীষ শুকিয়ে যায়। খুব দ্রুত এই রোগ সব ক্ষেতে ছড়িয়ে পড়ে শীষ চিটা হয়ে যায়।চলতি বোরো মৌসুমে এ উপজেলায় ১০হাজার ১৬৯ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারন করা হয়েছে।

 

অর্জিত হয়েছে ৯হাজার ১৩০ হেক্টর।এরমধ্যে ১০৮ হেক্টর জমিতে নেক বøাস্ট ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে।উপজেলা সদরে এর প্রদূর্ভাব কম দেখা দিলেও উপজেলার কুড়–লগাছি ইউনিয়নে এই ভাইরাস বেশি দেখা দিয়েছে। ব্রি-২৮,ব্রি-৮১ও ব্রি-৬৩ জাতের ধানে বেশির ভাগ এই ভাইরাস দেখা দিয়ে থাকে।

কুড়ুলগাছির কৃষক আব্দুস ছালাম, বলেন তিনি এক বিঘা জমিতে ব্রি -২৮ জাতের ধান চাষ করেছে ধান খুব ভালো হয়েছে ধান ফুলে গেছে হঠাৎ ধানে নেক বøাস্ট রোগ দেখা দিয়েছে খুবই চিন্তার মধ্যে আছি কৃষি অফিসের পরামর্শ মোতাবেক বালাই নাশক ব্যবহার করা হচ্ছে দেখা যাক এতে রেহায় পায় কিনা। একই কথা বললেন মনিরুল ইসলাম ও শরিফ উদ্দীন।

 

দামুড়হুদা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন অফিসার অভিজিত কুমার বিশ্বাস বলেন, সাধারনত ব্রি-২৮,-ব্রি-৮১, ব্রি-৬৩ জাতের ধানে বেশি ব্লাষ্ট আক্রান্ত হয়ে থাকে। উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের মাঠে ১০৮ হেক্টর জমিতে নেক ব্লাষ্ট দেখা দিয়েছে। এটি যেন আর ছড়ানে না পারে সেজন্য আমরা নিয়মিত ক্ষেত পরিদর্শন করে ভূক্তভূগি কৃষকদেরকে পরামর্শ দিয়ে আসছি। তারা ঠিকমত বালায় নাশক ব্যবহার করায় মনে হচ্ছে ব্যাপক হারে আর না ছড়াতে পারে এখন পর্যন্ত স্থিতিশীল রয়েছে নতুন করে আর আক্রান্ত হয়নি।