চুয়াডাঙ্গায় ঠিকাদারকে কুপিয়ে হত্যা

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় কামাল হোসেন নামে (৬৫) এক ঠিকাদারকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ করা হয়েছে।  মঙ্গলবার ১০ মে  (সোমবার) দিনগতরাত সাড়ে ১২টার দিকে আলমডাঙ্গা উপজেলার জেহালা ক্লিনিক মোড়ে থেকে তাকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত কামাল হোসেন (৬৫) জেহালা গ্রামের মাঝেরপাড়ার মৃত জাহান আলী মাষ্টারের ছেলে।

 

নিহত কামাল হোসেনের স্ত্রী সেলিনা খাতুন অভিযোগ করে বলেন, কামাল হোসেনের মামা মোতাহার হোসেনের জামাই স্বাধীনের সাথে দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। সোমবার রাতে বাড়ির বাইরে বের হয় কামাল হোসেন। এ সময় স্বাধীন জেহালা ক্লিনিক মোড়ে তার শ্বশুর বাড়ীর সামনে তাকে একা পেয়ে পিটিয়ে হত্যা করে।

 

তিনি অভিযোগ করে আরও বলেন, এর আগেও স্বাধীন কামাল হোসেনকে মেরে ফেলার হুমকী দিয়েছে। রাত সাড়ে ১২টার দিকে খবর পেয়ে জেহালা মোড়ে স্বাধীনের বাড়ীর সামনে যায়। সেখানে অচেতন অবস্থায় পড়ে ছিল কামাল হোসেন। তাকে উদ্ধার করে প্রথমে জেহালা মোড়ের একটি ক্লিনিকে নিই। পরবর্তীতে তাকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

 

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. আহসানুল হক বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই কামাল হোসেনের মৃত্যু হয়েছে। তার কান দিয়ে রক্ত বের হচ্ছিল। পায়ে ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ময়নাতদন্ত করলে প্রকৃত ঘটনা জানা সম্ভব হবে।

 

আলমডাঙ্গা থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুল আলিম জানান, রাত সাড়ে ১১ টার দিকে কামাল হোসেন নামের এক ব্যক্তি জেহালা ক্লিনিক মোড় পড়ে আছে। খবর পেয়ে আমরা সেখানে পুলিশ পাঠায়। অচেতন অবস্থায় তাকে সেখান থেকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

 

ওই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত থানায় কেউ কোন অভিযোগ করে নি। ঘটনাটি আমরা তদন্ত করে দেখছি এবং প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে কাজ করে যাচ্ছি। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে মর্গে রাখা হয়েছে।