আজ শুরু হচ্ছে ভোটার তালিকা হালনাগাদ

ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসূচি শুক্রবার (২০ মে) থেকে শুরু হচ্ছে। প্রথম ধাপে দেশের ১৩৯টি উপজেলায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে এ কার্যক্রম চলবে। এ ধাপে ১৪০টি উপজেলার তথ্য সংগ্রহের কথা থাকলেও আকস্মিক বন্যার কারণে সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার তথ্য সংগ্রহের কাজ স্থগিত করা হয়েছে।

 

দেশের নাগরিকদের মধ্যে ২০০৭ সালের ১ জানুয়ারি বা তার আগে যাদের জন্ম, তাদের তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এছাড়া, এর আগে বিভিন্ন কারণে যারা ভোটার হিসেবে নাম অন্তর্ভুক্ত করতে পারেননি, তাদেরও হালনাগাদে ভোটার করা হবে। ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রমে মৃত ভোটারের তথ্যও সংগ্রহ করা হবে। এ সময় ভোটার স্থানান্তরের আবেদনও করা যাবে।

 

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল সাভারে ‘ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম ২০২২’ উদ্বোধন করবেন। অন্য তিন কমিশনারও দেশের বিভিন্ন স্থানে উপস্থিত থেকে হালনাগাদ কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন।

 

শুক্রবার শুরু হওয়া তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম চলবে ৯ জুন পর্যন্ত। এরপর ১০ জুন থেকে শুরু হবে তাদের নিবন্ধন কার্যক্রম। ২১ জুলাইয়ের মধ্যে এই ধাপের নিবন্ধন কার্যক্রম শেষ হবে। এরপর ধাপে ধাপে দেশের বাকি উপজেলাগুলোতেও ভোটারদের তথ্য সংগ্রহ ও নিবন্ধন কার্যক্রম চলবে এ বছরের ২০ নভেম্বর পর্যন্ত।

 

ইসি সূত্র জানায়, নির্বাচন কমিশন নিয়োজিত তথ্য সংগ্রহকারীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারের তথ্য নেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি নির্দিষ্ট কেন্দ্রে গিয়ে স্বাক্ষর প্রদান, ১০ আঙুলের ছাপ, চোখের আইরিশ ও ছবি তুলে নিবন্ধন কার্যক্রম সম্পন্ন করবেন। এই কর্মসূচিতে ভোটার তালিকা থেকে মৃত ভোটারের নাম কর্তন করার জন্য তথ্য সংগ্রহ করা হবে এবং ভোটার এলাকা স্থানান্তরের কার্যক্রমও চলবে।

ডাটাবেজে ভুল এড়াতে বিশেষ ব্যবস্থা

 

এদিকে ভোটার তালিকা হালনাগাদে নাগরিকদের তথ্যে ভুলভ্রান্তি এড়াতে এবার প্রথমবারের মতো বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে নিবন্ধন কেন্দ্রে নাগরিকের তথ্য কম্পোজ ও প্রুফের পর তার একটি প্রিন্ট দেওয়া হবে। নাগরিক সেই তথ্য যাচাই ও সই দিয়ে ডাটা অ্যান্ট্রি অপারেটরের কাছে জমা দেবেন। নাগরিকের অন্যান্য দলিলাদির সঙ্গে এই ডকুমেন্টও ডাটাবেজে সংরক্ষণ করা হবে।

দুই বছরের আগাম তথ্য

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, দেশের নাগরিকদের মধ্যে ২০০৭ সালের ১ জানুয়ারি বা তার আগে যাদের জন্ম এবং বিভিন্ন সময়ে হালনাগাদে বাদ পড়া নাগরিকদের তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এক্ষেত্রে ইসি আগাম দুই বছরের তথ্য সংগ্রহ করে রাখবে। তথ্য সংগ্রহ করা নাগরিকদের মধ্যে ২০০৫ সালের ১ জানুয়ারি বা তার আগে যাদের জন্ম, তারা ২০২৩ সালের হালনাগাদকৃত ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হবেন। হালনাগাদে তথ্য সংগ্রহ করে রাখা পরের দুই বছরের (২০০৭ ও ২০০৬) নাগরিকের তথ্য ইসির ডাটাবেজে সংরক্ষণ করে রাখা হবে। এসব নাগরিক যথাক্রমে ২০২৪ ও ২০২৫ সালের হালনাগাদের সময় ভোটার হিসেবে যুক্ত হবেন।

 

ইসির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এবার একসঙ্গে পর পর তিন বছরে যারা ভোটার হওয়ার যোগ্য হবেন, তাদের তথ্য সংগ্রহ করা হবে। তিন বছরে বর্তমান ভোটার সংখ্যার সাড়ে ৭ শতাংশ ভোটার বৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। যাদের জন্ম ১ জানুয়ারি ২০০৫ বা তার পূর্বে, তাদের তথ্য সংগ্রহ করা হবে এবং তাদের অন্তর্ভুক্ত করে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে ২ মার্চ ২০২৩। যাদের জন্ম ১ জানুয়ারি ২০০৬ বা তার পূর্বে, তাদের অন্তর্ভুক্ত করে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে ২ মার্চ ২০২৪ এবং যাদের জন্ম ১ জানুয়ারি ২০০৭, তাদের অন্তর্ভুক্ত করে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে ২ মার্চ ২০২৫।

নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তারা অতীতেও হালনাগাদের সময় এক-দুই বছরের করে তথ্য আগাম সংগ্রহ করে রেখেছিলেন। এতে পরের বছরে বাড়ি বাড়ি গিয়ে হালনাগাদ না হলেও খুব একটা সমস্যা হয় না।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনের যুগ্ম সচিব (জনসংযোগ) এসএম আসাদুজ্জামান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘হালনাগাদে আগামী বছর (২০২৩) যাদের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হবে, তারা ছাড়াও দুই বছরের তথ্য আগাম সংগ্রহ করা হবে। এতে পরের বছরে তারা আপনা-আপনি ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবেন।’ বয়স ১৮ না হলেও তথ্য সংগ্রহ করা নাগরিকদের জাতীয় পরিচয়পত্র দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আসাদুজ্জামান।

 

ইসি কর্মকর্তারা জানান, ভোটার হওয়া একটি চলমান প্রক্রিয়া। যে কেউ নির্বাচন কমিশনে গিয়ে তথ্য-প্রমাণ সাপেক্ষে ভোটার হতে পারেন। তবে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার করলে সহজেই ভোটার হওয়া যায়। কোনও তদন্ত লাগে না। নির্ভুল এনআইডি পেতে ভোটারদের লক্ষ রাখতে হবে ফরম-২’-তে।

ভোটার হতে যেসব তথ্য লাগবে

ভোটার হতে নাগরিককে ১৭ ডিজিটের অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ, শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ (যদি থাকে), পিতামাতার এনআইডির ফটোকপি, ইউটিলিটি বিলের কপির প্রয়োজন হবে। এছাড়া ক্ষেত্রবিশেষ আরও কিছু দলিলাদির প্রয়োজন পড়বে।

চার জায়গায় উদ্বোধন

প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়ালসহ সব কমিশনারই ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন। শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টায় সাভার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে সিইসি ভোটার তালিকার হালনাগাদ কাজ উদ্বোধন করবেন।

 

নির্বাচন কমিশনার বেগম রাশিদা সুলতানা সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে শুক্রবার বিকাল সাড়ে তিনটায় ভোটার তালিকার হালনাগাদ উদ্বোধন করবেন।

এদিন সকাল সাড়ে ১০টায় খুলনা জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে ভোটার তালিকা হালনাগাদ উদ্বোধন করবেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আহসান হাবিব খান।

নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ আলমগীর শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টায় মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এই কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন।

নির্বাচন কমিশনার আনিছুর রহমান শরীয়তপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে এদিন সকাল ১০টায় এই কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন।

৫৬ হাজার তথ্য সংগ্রহকারী

 

প্রায় ৫৬ হাজার তথ্য সংগ্রহকারী এবং ১১ হাজার ৩০০ সুপারভাইজার এবারের হালনাগাদ কার্যক্রমে যুক্ত থাকবেন। ইতোমধ্যে তাদের একটি অংশকে নিবিড় প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্যদেরও প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এ কাজে নিয়োজিত বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক/শিক্ষিকারা সুপারভাইজার পাঠানের পাশাপাশি যেন ভোটারদের তথ্য সংগ্রহ করতে পারেন, সেজন্য সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও তথ্য সংগ্রহ করা হবে। একজন তথ্য সংগ্রহকারী গড়ে ১৮০ জন ভোটারের তথ্য সংগ্রহ করবেন।

রোহিঙ্গা ঠেকাতে বিশেষ ব্যবস্থা

 

অন্যবারের মতো এবারও রোহিঙ্গারা যাতে ভোটার তালিকাভুক্ত হতে না পারে, সেজন্য বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে। চট্টগ্রাম অঞ্চলের ৩২টি বিশেষ এলাকার জন্য বিশেষ কমিটির মাধ্যমে নিবন্ধন ফরম যাচাই-বাছাই করা হবে। এছাড়া রোহিঙ্গাদের বায়োমেট্রিক সংবলিত ডাটাবেজও ব্যবহার করা হবে।

ইসির হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, গত ২ মার্চ পর্যন্ত দেশে মোট ভোটার ১১ কোটি ৩২ লাখ ৮৭ হাজার ১০ জন। এরমধ্যে পুরুষ ৫ কোটি ৭৬ লাখ ৮৯ হাজার ৫২৯ জন, নারী ৫ কোটি ৫৫ লাখ ৯৭ হাজার ২৭ জন এবং হিজড়া ৪৫৪ জন।

২০০৮ সালে ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়নের পর ২০১০ সালের ১ জানুয়ারি তারিখে যাদের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ বা বেশি হয়েছে, তাদের নাম অন্তর্ভুক্তিসহ প্রথমবারের মতো ভোটার তালিকা হালনাগাদ করা হয়েছিল। এরপর ২০১৩ সালের ১ জানুয়ারি তারিখে যাদের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ বা বেশি হয়েছে, তাদের নাম অন্তর্ভুক্তিসহ দ্বিতীয়বার, ১ জানুয়ারি ২০১৫ তারিখে যাদের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ বা বেশি হয়েছে তাদের অন্তর্ভুক্তিসহ তৃতীয়বার এবং ২০১৮ সালে ১ জানুয়ারি তারিখে যাদের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ বা বেশি হয়েছে, তাদের নাম অন্তর্ভুক্তিসহ চতুর্থবার ভোটার তালিকা হালনাগাদ করা হয়েছিল।

 

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বিশেষ কার্যক্রম হিসেবে ২০০০ সালের ১ জানুয়ারি বা তার পূর্বে যাদের জন্ম অথবা ভোটার তালিকা হালনাগাদের বিগত কার্যক্রমে বাদ পড়েছেন, তাদের নাম অন্তর্ভুক্তির জন্য পঞ্চমবার ভোটার তালিকা হালনাগাদ করা হয়েছিল। সর্বশেষ ২০১৯ সালে ষষ্ঠবার মাঠ পর্যায়ে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। যাতে ২০২২ সালের ১ জানুয়ারি পর্যন্ত যেসব ব্যক্তির বয়স ১৮ বছর পূর্ণ বা বেশি হয়েছে, অথচ ভোটার তালিকা হালনাগাদের বিগত কার্যক্রমে বাদ পড়েছিল।

যে ১৩৯টি উপজেলায় প্রথম ধাপে তথ্য সংগ্রহ

 

রংপুর অঞ্চলের পঞ্চগড় জেলার সদর উপজেলা, ঠাকুরগাঁও জেলার সদর, দিনাজপুর জেলার সদর ও নবাবগঞ্জ, নীলফামারী জেলার সদর ও ডিমলা, লালমনিরহাট জেলার সদর, রংপুর জেলার সদর ও পীরগঞ্জ, গাইবান্ধা জেলার সদর ও ফুলছড়ি।

রাজশাহী অঞ্চলের জয়পুরহাট জেলার সদর, বগুড়া জেলার সদর, দুপচাঁচিয়া ও সারিয়াকান্দি, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ভোলাহাট, নওগাঁ জেলার সদর, পোরশা ও বদলগাছি, রাজশাহী জেলার বোয়ালিয়া ও রাজপাড়া, নাটোর জেলার সদর ও সিংড়া, সিরাজগঞ্জ জেলার সদর ও তাড়াশ, পাবনা জেলার সদর ও ঈশ্বরদী।

খুলনা অঞ্চলের মেহেরপুর জেলার গাংনী, কুষ্টিয়া জেলার সদর ও কুমারখালী, চুয়াডাঙ্গা জেলার সদর, ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জ ও হরিণাকুণ্ডু, যশোর জেলার সদর, অভয়নগর ও বাঘারপাড়া, মাগুরা জেলার সদর, নড়াইল জেলার সদর, বাগেরহাট জেলার সদর ও শরণখোলা, খুলনা জেলার সদর, সোনাডাঙ্গা ও দৌলতপুর, সাতক্ষীরা জেলার সদর ও তালা।

বরিশাল অঞ্চলের বরগুনা জেলার সদর ও আমতলী, পটুয়াখালী জেলার সদর ও গলাচিপা, ভোলা জেলার সদর ও মনপুরা, বরিশাল জেলার সদর, আগৈলঝাড়া ও গৌরনদী, ঝালকাঠী জেলার সদর, পিরোজপুর জেলার সদর ও নেছারাবাদ।

ফরিদপুর অঞ্চলের গোপালগঞ্জ জেলার সদর ও টুংগীপাড়া, মাদারীপুর জেলার সদর, শরীয়তপুর জেলার সদর ও ডামুড্যা, ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা ও সদরপুর, রাজবাড়ী জেলার সদর।

ঢাকা অঞ্চলের মানিকগঞ্জ জেলার সদর ও শিবালয়, মুন্সীগঞ্জ জেলার সদর ও গজারিয়া, নরসিংদী জেলার শিবপুর ও পলাশ, নারায়ণগঞ্জ জেলার সদর ও আড়াইহাজার, ঢাকা জেলার দোহার, নবাবগঞ্জ, কেরানীগঞ্জ, সাভার, সূত্রাপুর, কোতোয়ালি ও ডেমরা, গাজীপুর জেলার শ্রীপুর, কালীগঞ্জ ও কাপাসিয়া।

ময়মনসিংহ অঞ্চলের টাঙ্গাইল জেলার সদর, সখিপুর ও ঘাটাইল, জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ ও মাদারগঞ্জ, শেরপুর জেলার শ্রীবর্দী, ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়িয়া, ভালুকা, ঈশ্বরগঞ্জ, গফরগাঁও, নেত্রকোনা জেলার সদর ও কলমাকান্দা, কিশোরগঞ্জ জেলার সদর, কটিয়াদি ও তাড়াইল।

সিলেট অঞ্চলের সুনামগঞ্জ জেলার সদর ও দক্ষিণ সুনামগঞ্জ, সিলেট জেলার গোলাপগঞ্জ ও বালাগঞ্জ, মৌলভীবাজার জেলার সদর ও শ্রীমঙ্গল, হবিগঞ্জ জেলার সদর ও বাহুবল।

কুমিল্লা অঞ্চলের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সদর, নাসিরনগর, কুমিল্লা জেলার লালমাই, বরুড়া, লাকসাম, হোমনা ও বুড়িচং, চাঁদপুর জেলার কচুয়া ও ফরিদগঞ্জ, ফেনী জেলার সদর ও ফুলগাজী, নোয়াখালী জেলার সদর, কোম্পানীগঞ্জ ও সেনবাগ, লক্ষ্মীপুর জেলার সদর ও রামগতি।

চট্টগ্রাম অঞ্চলের চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুন্ডু, সন্দ্বীপ, কর্ণফুলী, লোহাগড়া, পটিয়া ও আনোয়ারা, কক্সবাজার জেলার মহেশখালী, রামু, চকরিয়া ও কুতুবদিয়া, খাগড়াছড়ি জেলার সদর, মহালছড়ি ও লক্ষ্মীছড়ি, রাঙামাটি জেলার সদর এবং বান্দরবান জেলার সদর উপজেলা।