কালিয়াকৈরে কিশোরীকে দেড় মাস আটকে রেখে ধর্ষণ

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুর এলাকায় দেড় মাস ধরে আটকে রেখে এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশ সোমবার রাতে সাইফুল ইসলাম (৪০) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে।

 

কিশোরীর অভিযোগ, গ্রেপ্তার সাইফুল ইসলাম ধর্ষণের অশ্লীল ভিডিও মুঠোফোনে ধারণ করে। সেই ভিডিও ফেসবুকে প্রচার করে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে দেড় মাস আটকে রেখে ধর্ষণ করে। গ্রেপ্তার যুবক হলো পাবনার সাথিয়া উপজেলার চকমধুপুর গ্রামের জনাব আলী সরকারের ছেলে সাইফুল ইসলাম।

পুলিশ জানায়, কারখানা কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম কালিয়াকৈরের আহম্মদনগর এলাকায় একটি ভবনের দ্বিতীয়তলার একটি ফ্ল্যাটে ভাড়া থাকতেন। দুই মাস আগে তার স্ত্রী ও তিন সন্তানকে তাদের গ্রামের বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। এই সুযোগে ওই কিশোরীকে চাকরি দেওয়ার কথা বলে প্রায় দেড় মাস আগে তার ভাড়া বাসায় ডেকে নিয়ে আসেন।

 

পরে ওই বাসায় কিশোরীকে ধর্ষণ ও ধর্ষণের দৃশ্য মুঠোফোনে ভিডিও ধারণ করেন তিনি। ওই সময় কিশোরী পালিয়ে যেতে চাইলে তাকে ধর্ষণের ভিডিও দেখান তিনি। পরে ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয়ভীতি দেখিয়ে ঘরে আটকে রেখে দেড় মাস ধরে ধর্ষণ করে আসছেন সাইফুল।

 

সোমবার দুপুরে হঠাৎ ফ্ল্যাটের মেইন দরজা খোলা দেখতে পেয়ে ওই কিশোরী দৌড়ে বাইরে গিয়ে আশপাশের লোকজনদের বিষয়টি জানায়। খবর পেয়ে পুলিশ ওই কিশোরীকে উদ্ধার সাইফুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেন।

 

মৌচাক পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) হাসান উদ দৌলা জানান, এ ঘটনায় কিশোরী বাদী হয়ে একটি মামলা করেছেন। গ্রেপ্তার আসামি সাইফুল ইসলামকে গাজীপুর জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। কিশোরীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য গাজীপুর তাজউদ্দিন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।