ঝিকরগাছায় কেজি দরে লিচু বিক্রয়, ক্রেতা ঠকানোর কৌশল, বিক্রেতাদের শাস্তি দাবি

পাকা কলা, তরমুজের পর এবার কেজিতে বিক্রয় হচ্ছে লিচু। শুধু লিচু নয় বরং এরসাথে ডালপালা কিনতেও বাধ্য হচ্ছেন ক্রেতারা। এতে বিক্রেতাগন লাভবান হলেও ঠকছেন ক্রেতা সাধারণ।

 

সরজমিন যশোরের শার্শা ঝিকরগাছা বাজার ঘুরে দেখা যায়, রাস্তার দুপাশে বিক্রেতাগন ঝুড়িতে করে লাল টকটকে রসালো, লোভনীয় লিচু ফল সাজিয়ে বসে আছে। দাম জিজ্ঞেস করে জানা গেল ১৮০ টাকা কেজি। ৪৫/৫০ টি করে লিচু এক একটা থোকা করা আছে। ওজন করে দেখা গেল গড়ে ১কেজি ২০০ গ্রাম, যার দাম ২১০/২১৫ টাকা। এই হিসাবে একটা লিচুর দাম পড়ছে ৫ টাকারও বেশি। অথচ লিচু বাগান থেকে শ’ হিসেবে কিনে আনছে পাইকারি বিক্রেতাগন।

 

সাইদুল নামে একজন বাগান মালিক জানালেন, তিনি ১৮০০ টাকায় এক হাজার দরে তার বাগান থেকে লিচু বিক্রয় করেছেন। সেই হিসাবে ১টা লিচু বিক্রয় মুল্য ১টাকা ৮০ পয়সা।পরিবহন খরচ দিয়ে বাজারে আনতে যেটা কোনোভাবেই ২টাকার বেশি হয়না। এরপর প্রতি পিচ লিচুতে ৫০ পয়সা লাভ করলেও সেটা ২.৫০ টাকা বিক্রয় করা সম্ভব। কিন্তু অতিরিক্ত মুনাফার লোভে বাজারে একটা সিন্ডিকেট তৈরিতে করে সকল লিচু বিক্রেতা এই লিচু ৫ টাকারও বেশি দামে ক্রেতাদের কিনতে বাধ্য করছে।

 

কয়েকজন লিচু ক্রেতার সাথে কথা বললে, কেজি দরে লিচু বিক্রয়ের ব্যাপারে তারা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, বাজার তদারকির অভাবে বিক্রেতারা ইচ্ছে মত জিনিসের দাম বাড়িয়ে বিক্রি করছে। লিচুর সাথে ডালপালাও কিনতে বাধ্য করা হচ্ছে। এধরনের অসাধু ব্যবসায়ীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তারা। সেই সাথে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ কমিটির নিয়মিত বাজার মনিটরিং এরও তাগিদ দেন।