দামুড়হুদায় ট্রাক-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত-১, আহত -৩

চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদার জয়রামপুর সড়কে ট্রাক-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনায় সুমন(১৪) নামের এক স্কুল ছাত্র নিহত হয়েছে। এতে আহত হয়েছে স্কুল ছাত্র রাশেদুল, তামিল ও ইমন। আজ বুধবার দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে ওই দূর্ঘটনা ঘটে।

 

প্রত্যাক্ষদূশী সূত্রে জানা যায়, বুধবার দুপুরে স্কুল থেকে বাড়ি ফিরে দামুড়হুদার জয়রামপুর শেখপাড়ার সাইফুল ইসলামের ছেলে রাশেদুল ইসলাম(১৩), তারা চাঁদের ছেলে তামিল(১৪), বাবলুর ছেলে ছেলে সুমন(১৩) ও আরিফুল ইসলামের ছেলে ইমন(১৩)  মোটরসাইকেলযোগে লোকনাথপুর যাওয়ার পথে জয়রামপুর কাঠালতলা রতনের কাঠের দোকানের সামনে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা অজ্ঞাত নামা একটি ট্রাকের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।

 

এতে রক্তাক্ত জখম হয় তারা। স্থানীয়রা ও দামুড়হুদা ফায়ার স্টেশনের ফায়ারম্যানরা তাদের কে দ্রুত উদ্ধার করে দামুড়হুদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। দামুড়হুদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের কে উন্নত চিকিৎসার জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হসপাতালে রেফার্ড করেন। হাসপাতালে যাওয়ার পথে সুমনের মৃত্যু হয়। ঘটনার পরপরই ঘাতক ট্রাকটি দ্রুত গতিতে পালিয়ে যায়।

 

 

স্থানীয় ও নিহতের পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ যে সময়ে সড়ক দুর্ঘটনায় রক্তাক্ত জখমকৃত দের দামুড়হুদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হয়েছিলো। দ্রুত তাদের কে রেফার্ড করলে হয়তো সমন আলী বেঁচে থাকতো। হাসপাতালের অব্যবস্থাপনাকেই দায়ী করছেন নিহতের পরিবার সহ স্থানীয়রা!

 

দামুড়হুদা মডেল থানার ওসি ফেরদৌস ওয়াহিদ দূর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

 

দামুড়হুদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা ফারহানা ওয়াহিদ বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় রক্তাক্ত জখম অবস্থায় তিনজন শিশুকে হাসপাতালে নিলে আমাকে তাদের কে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে রেফাড করি।

 

পরবর্তীতে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে সুমন নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়। এসময় হাসপাতালের এ্যাম্বুলেন্স সেবার বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, আমাদের হাসপাতালে এ্যাম্বুলেন্সের জন্য ডাইভার না থাকায় টিএইচও’র ডাইভার কে ডেকে এনে তাদের কে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।