যশোরে যুবদল নেতা ধনি হত্যার দুই আসামি আটক,হত্যাকান্ডে ব্যাবহৃত অস্ত্র উদ্ধার

দলীয় কোন্দল ও জামাই ইয়াসিন খুনের প্রতিশোধ নিতেই বিএনপি নেতা মানুয়ার নির্দেশে খুন করা হয় যশোর জেলা যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি বদিউজ্জামান ধোনিকে। এ ঘটনায় পুলিশ প্রধান অভিযুক্ত রায়হান সহ দুইজনকে আটক করেছে। একই সাথে হত্যায় ব্যবহৃত দুটি গাছি দা , একটি চাইনিজ কুড়াল ও একটি বার্মিজ চাকু উদ্ধার করেছে পুলিশ। এরআগে এরআগে এ মামলার আরেক আসামি টিবি ক্লিনিক এলাকার রইছের ছেলে আল আমিন ওরফে চোর আম আমিনকে র‌্যাব আটক করে। পরে তাকে কোতোয়ালি থানায় সোপর্দ করা হয়।

 

বৃহস্পতিবার(১৪ জুলাই) বেলা সাড়ে বারোটায় যশোর জেলা পুলিশ সুপারের কনফারেন্স রুমে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এসব তথ্য জানান যশোরের পুলিশ সুপার প্রলয় কুমার জোয়ারদার।

 

আককৃতরা হলেন মামলার প্রধান আসামি টিভি ক্লিনিক মোড়ের রায়হান ও শংকরপুরের ইছামীর। তাদেরকে যশোরের শংকরপুর ও খুলনার দিঘলিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। পরে তাদের দেখানো মতে আকবর মোড়ের ভাঙ্গারী পট্টির মসজিদের পুকুর থেকে ওই অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

 

এরআগে এ মামলার আরেক আসামি টিবি ক্লিনিক এলাকার রইছের ছেলে আল আমিন ওরফে চোর আম আমিনকে র‌্যাব আটক করে।

 

পুলিশ সুপার আরও জানায়, নিহত বদিউজ্জামান বিরুদ্ধে ২টি হত্যা মামলা, ১টি অস্ত্র মামলা, ১টি সন্ত্রাস বিরোধী আইনের মামলা ও ১টি বিস্ফোরক মামলাসহ মোট ১২টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এছাড়াও গ্রেফতারকৃত আসামী রায়হানের বিরুদ্ধে ১টি অস্ত্র মামলা, ১টি মাদক মামলা, ২টি চাঁদাবাজী মামলাসহ ৪টি মামলা বিচারাধীন আছে।

 

প্রসঙ্গত, যশোর জেলা যুবদলের সিনিয়র সহসভাপতি বদিউজ্জামান ধনী গত মঙ্গলবার (১২ জুলাই) দুর্বৃত্তদের হামলায় নিহত হয়। শহরের শংকরপুর আকবরের মোড়ে মঙ্গলবার বেলা পৌনে ১২টার দিকে তাকে কুপিয়ে জখম করে দুর্বৃত্তরা। শহরের বেজপাড়া চোপদারপাড়া এলাকার বাসিন্দা ছিলেন ৫২ বছর বয়সী বদিউজ্জামান। এঘটনায় ধনির ভাই মনি বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন।