রাশিয়া থেকে রূপপুর তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মালামাল নিয়ে জাহাজ মোংলা বন্দরে

ইন্দোনেশিয়া থেকে প্রথমবারের মতো রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য ৩৬ হাজার মেট্রিক টন কয়লা নিয়ে মোংলা বন্দরে

রাশিয়া থেকে রূপপুর তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মালামাল নিয়ে মোংলা বন্দরে এসে পৌঁছেছে জাহাজ ‘এম. ভি ড্রাগনবল।’ শুক্রবার (৫ আগস্ট) বিকেলে লাইবেরিয়ান পতাকাবাহী জাহাজটি রূপপুর তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৫ হাজার ৬০১ মেট্রিক টন মেশিনারিজ নিয়ে মোংলা বন্দরে এসে পৌঁছায়।

 

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর দ্বিতীয়বারের মতো রাশিয়া থেকে মালামালবাহী জাহাজ মোংলা বন্দরে এসেছে। জাহাজটি বন্দরের হারবারিয়ার ৭ নম্বর বয়ায় নোঙ্গর করেছে বলে জানা গেছে।

 

এর আগে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর সোমবার (১ আগস্ট) বিকেল ৪টায় প্রথমবারের মতো পণ্য নিয়ে একটি রাশিয়ান জাহাজ মোংলা সমুদ্র বন্দরে এসেছিল। জাহাজটিতে ‘রূপপুর পারমাণবিক বিদুৎ কেন্দ্রের ৩৩২৮ দশমিক ২৩৭ মেট্রিক টন মেশিনারিজ ছিল।’

 

অন্যদিকে ইন্দোনেশিয়া থেকে প্রথমবারের মতো রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য ৩৬ হাজার মেট্রিক টন কয়লা নিয়ে মোংলা বন্দরের পৌঁছেছে বাংলাদেশী পতাকাবাহী জাহাজ ‘এমভি আকিজ হেরিটেজ’। সন্ধ্যা নাগাদ মোংলা বন্দরের হারবাড়িয়া-১১ নম্বর বয়ায় অবস্থান করার কথা রয়েছে। গত ২০ জুলাই ইন্দোনেশিয়ার তানজুম ক্যাম্ফা বন্দর থেকে ছেড়ে আসা জাহাজটি ৫৪ হাজার ৬৫০ মেট্রিক টন কয়লা নিয়ে ৩১ জুলাই চট্টগ্রাম বন্দরে নোঙ্গর করে।

 

সেখান থেকে ১৮ হাজার ৬৫০ মেট্রিক টন কয়লা চট্রগ্রাম বন্দরে খালাস করে তিনটি লাইটার জাহাজে করে রামপাল তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রে পাঠানো হয়। লাইটার জাহাজ তিনটি বৃহস্পতিবার (৪ আগস্ট) বিকেলে রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের নিজস্ব জেটিতে নোঙ্গর করেছে বলে জানিয়েছেন রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) আনোয়ারুল আজীম।

 

তিনি বলেন, এখন থেকে ধারাবাহিকভাবে এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রে জ্বালানি কয়লা আসবে।

 

মোংলা বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ মুসা বলেন, রাশিয়া থেকে আমদানি করা রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বেশকিছু মেশিনারিজ নিয়ে মোংলা বন্দরে এসেছে লাইবেরিয়ান পতাকাবাহী জাহাজ এম. ভি ড্রাগনবল।

 

এদিকে প্রথমবারের মতো রামপাল পাওয়ার প্লান্টের জ্বালানি কয়লাও আমদানি করা হয়েছে। এই কয়লা মোংলা বন্দর দিয়ে এসেছে। এই দিনে এটা আমাদের জন্য একটি সুখবর, এটা যুগের সাক্ষী হয়ে থাকবে মোংলা বন্দরের জন্য। কারণ একদিনে দেশে চলমান দুটি মেগা প্রকল্পের পণ্য মোংলা বন্দর দিয়ে আমদানি করা হয়েছে।