কাবুলে আবার মার্কিন ড্রোন হামলা

এদিকে আগামীকাল মঙ্গলবার আফগানিস্তান থেকে বিদেশি সেনা প্রত্যাহারের সময়সীমা শেষ হচ্ছে। এই সীমা মেনে অনেক দেশ তড়িঘড়ি করে তাদের সেনা ও বেশ কিছু বেসামরিক আফগানকে সরিয়ে নিয়েছে। যুক্তরাজ্য গত শনিবারই কাবুল থেকে তাদের শেষ ফ্লাইট পরিচালনা করে। সেই ফ্লাইটে কাবুলে নিযুক্ত ব্রিটিশ দূতও লন্ডন ফিরে গেছেন।

কাবুলে গতকাল ড্রোন হামলার বিষয়ে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের মুখপাত্র বিল আরবান বলেন, ড্রোন হামলায় কয়েকজন ‘আত্মঘাতী হামলাকারী’ নিহত হয়েছেন। তাঁরা আইএসকেপির জঙ্গি। ওই মুখপাত্রের বরাত দিয়ে আল–জাজিরার খবরে বলা হয়, হামলার উদ্দেশ্যে গাড়িতে করে হামিদ কারজাই বিমানবন্দরের দিকে যাওয়ার পথে হামলাকারীদের লক্ষ্য করে হামলা চালায় মার্কিন বাহিনী। বিল আরবান বলেন, ‘আমরা নিশ্চিত, হামলা সফল হয়েছে। হামলার পর ওই গাড়ি থেকে বিস্ফোরণ ঘটেছে—এর মানে হলো, ওই গাড়িতে বিস্ফোরক ছিল।’ তিনি বলেন, এই হামলায় কোনো বেসামরিক নাগরিক হতাহত হয়নি।

এদিকে কাবুলের পুলিশপ্রধান রশিদ জানিয়েছেন, বিমানবন্দরে উত্তর-পশ্চিম দিকের একটি বাড়িতে রকেট হামলায় এক শিশু নিহত হয়েছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

বিবিসির খবরে বলা হয়, কাবুলে বিমানবন্দরের পাশে প্রচণ্ড বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। খবরের সঙ্গে শফি করিমি নামের স্থানীয় এক সাংবাদিকের টুইট যুক্ত করা হয়েছে। টুইট বার্তায় শফি করিমি লিখেছেন, ‘বিমানবন্দরের কাছে একটি বাড়িতে রকেট হামলা হয়েছে।’ শফি করিমি একটি ভিডিও চিত্রও যুক্ত করেছেন। সেই ভিডিওতে বিস্ফোরণস্থলে কালো ধোঁয়া উড়তে দেখা যায়।

নারীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে যাবেন

তালেবান শাসনের সময়ও নারীরা পড়াশোনা করতে বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতে পারবেন। তবে নারী-পুরুষ বিশ্ববিদ্যালয়ে একসঙ্গে পড়তে পারবেন না। তালেবান নিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত উচ্চশিক্ষাবিষয়ক মন্ত্রী গতকাল এ কথা বলেন। বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়, ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী আবদুল বাকি হাক্কানি এক বৈঠকে এ কথা জানিয়েছেন। মন্ত্রী বলেন, শরিয়াহ আইনের আলোকে আফগানিস্তানের নাগরিকেরা নিরাপদে উচ্চশিক্ষা চালিয়ে যেতে পারবেন। তবে নারী-পুরুষ একসঙ্গে পড়াশোনা করতে পারবেন না। ওই বৈঠকে তালেবানের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তবে বৈঠকে কোনো নারী ছিলেন না।