আলমডাঙ্গায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দেহ ভোগ

৮ মাসের অন্ত্বসত্বা কিশোরীর সন্তান প্রসব

বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক কিশোরীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলে আশরাফুল (৩২) নামের এক যুবক। তার বাড়িতে স্ত্রী ও বাচ্চা থাকায় সে বিয়ে করতে রাজি না হওয়ায় অন্ত্বসত্বা হয় ওই কিশোরী। ৮ মাসের অন্ত্বসত্বা কিশোরী গতকাল বুধবার ভোরে বাচ্চা প্রসব করেছে বলে জানাগেছে। ঘটনাটি আলমডাঙ্গা উপজেলার ডাউকি গ্রামের মুন্সিপাড়ায় ঘটেছে।

এ ঘটনায় কিশোরীর চাচা বাদি হয়ে আলমডাঙ্গা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। ঘটনাটি জানাজানি হলে লম্পট আশরাফুল পলাতক আছে। লম্পট আশরাফুল ডাউকি ইউনিয়নের মুন্সিপাড়ার রফি মুন্সির ছেলে।

পরিবার ও এলাকাসূত্রে জানাগেছে, আলমডাঙ্গার ডাউকি গ্রামের মুন্সিপাড়ার গোলাপ হোসেনের মেয়ে (ছদ্মনাম) সেফালি খাতুন। সে দীর্ঘদিন ঢাকায় তার বাড়িতে বসবাস করে আসছিলো। গত ১ বছর পূর্বে (ছদ্মনাম) সেফালি খাতুন ঢাকা থেকে নিজ বাড়িতে অবস্থান নেয়। ছোট থেকে তার মা মারা যাওয়ায় বিভিন্ন সময় তার আত্বীয় বাড়িতে বসবাস করে আসছিলো। গত ৬ মাস পূর্বে (ছদ্মনাম) সেফালি খাতুনের বাড়ির পাশেই রফি মুন্সির ছেলের সাথে ফোনে প্রেম সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ইতো মধ্যে আশরাফুলের স্ত্রী ৬ মাসের অন্ত্বসত্বা।

এ সুযোগে আশরাফুল (ছদ্মনাম) সেফালি খাতুনকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দীর্ঘদিন শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলে। (ছদ্মনাম) সেফালি খাতুন তার পেটে বাচ্চা আসলে গোপনে এ্যাভোসন করাতে বলে আশরাফুল। সে বিয়ের দাবিতে অটল অবস্থায় থাকলে দীর্ঘ ৮ মাস (ছদ্মনাম) সেফালি খাতুনের পেটে বাচ্চা বড় হয়। গতকাল বুধবার ভোরে আলমডাঙ্গার একটি ক্লিনিকে সে বাচ্চা প্রসব করে। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দীর্ঘদিন দেহ ভোগ করায় কিশোরীর চাচা ফজলুর রহমান বাদি হয়ে আলমডাঙ্গা থানায় লিখিত অভিযোগ করেছে।

এদিকে ওই কিশোরীর বাচ্চা ভুমিষ্ট হওয়ার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে তিব্র সমালোচনার সৃষ্টি হয়। ভ‚মিষ্ট বাচ্চার পরিচয় লম্পট আশরাফুল না অন্য কি অন্য কেউ। এমন মন্তব্যে মুখোরিত ডাউকি সহ পাশ্ববর্তী এলাকাসহ চায়ের দোকান গুলো। এলাকাবাসীর দাবি তদন্ত সাপেক্ষে এমন জঘন্য ব্যাক্তির দ্রুত শাস্তির আওতায় আনা হোক বলে দাবি করেন। এ

ঘটনায় কিশোরীর পিতা কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন,‘ আমার মা হারা মেয়ের সাথে এমন জঘন্য কাজ করেছে তার বিচার হয় সেটি আপনি করুন। মেয়ের সন্তানের কি পরিচয়ে বেচে থাকবে। আপনারা বিচার করুন।

কিশোরী অন্ত্বসত্বার ঘটনায় অভিযোগের তদন্ত কর্মকর্তা এসআই কামরুল ইসলাম বলেন,‘ আমরা আসামিকে আটকের চেষ্টা চালাচ্ছি। ঘাতক আশরাফুল সহ তার পরিবারের লোকজন পলাতন আছে। তিনি আরো বলেন, কিশোরীর বাচ্চা আশরাফুলের নাকি সেটা ডাক্তারি পরিক্ষা করা হলে সঠিক তথ্য পাওয়া যাবে।