বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ও সংগ্রামে স্বাধীনতা এসেছে : ওবায়দুল কাদের

২০০ বছরের ইতিহাসে সব অন্যায়ের প্রতিবাদ ও আন্দোলন সংগ্রামে কৃষকের অবদানের বিভিন্ন বর্ণনা দিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‌‘‌সিপাহী বিদ্রোহ থেকে বিভিন্ন আন্দোলন ও সংগ্রাম পুঞ্জিভূত হলেও স্বাধীনতা আসেনি। স্বাধীনতা এসেছে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ও সংগ্রামের ফলশ্রুতিতে।’

মঙ্গলবার (৩১ আগস্ট) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে কৃষক লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি। ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘স্বাধীনতার পরাজিত শক্তি ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে টুঙ্গিপাড়ায় মার্কিন কাপড়ে ৫৭০-সাবানে গোসল দিয়ে ১৮ জন মানুষ জানাজা দিয়ে দাফন করে, যার সবটাই জিয়াউর রহমানের মস্তিষ্কপ্রসূত। অজপাড়াগাঁ সেই টুঙ্গিপাড়া বাঙালির তীর্থস্থানে পরিণত হয়েছে।’

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ এ সময় বলেন, ‘৭১-এর পরাজিত শক্তির মদতে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়, যার প্রত্যক্ষ সুবিধাভোগী জিয়াউর রহমান। তিনি বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার বন্ধে ইনডেমনিটি আদেশ সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করেন এবং জেল হত্যাকাণ্ডের পর হত্যাকারীদের বিদেশি দূতাবাসে চাকরি দেন। জিয়াউর রহমান গোলাম আযমকে দেশে ফিরিয়ে আনে এবং শাহ আজিজ, আব্দুল আলীমকে মন্ত্রী বানান। ২০০১ সালে অনুরূপভাবে খালেদা জিয়া নিজামী ও মুজাহিদকে মন্ত্রী বানায়। পাকিস্তান প্রীতির এমন নজির বিরল।’

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম বলেন, ‘আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের মধ্যে কৃষক লীগ সবচেয়ে সুশৃঙ্খল ও ডিজিটাল সংগঠনে রূপান্তরিত হয়েছে, যা অন্যান্য সংগঠনের জন্য অনুকরণীয় হতে পারে।’

আওয়ামী লীগের কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলি বলেন, ‘এখনও বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। তিনি বঙ্গবন্ধুর ত্যাগ ও মহিমার অজানা কথা সারাদেশে কৃষকের মাঝে প্রচার করার পরামর্শ দেন।’

কৃষক লীগের সভাপতি সমীর চন্দের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক উম্মে কুলসুম স্মৃতির সঞ্চালনায় বক্তারা বক্তব্য রাখেন।