ব্রাজিলের সাতে সাত নেইমার-এভারটনের কারিশমায়

কনমেবল বাছাইয়ের শীর্ষে থাকা ব্রাজিল সেই শীর্ষস্থান ধরে রাখার মিশনে আছে ভালোভাবেই। চিলিকে তাদেরই মাটিতে হারিয়েছে ১-০ গোলে। তাতে কনমেবল বাছাইপর্বে ব্রাজিল নিজেদের সাত ম্যাচের সাতটিতেই জিতল। রইলো বাছাইপর্বের শীর্ষেও।

চলতি বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে এক ভেনেজুয়েলার বিপক্ষে ম্যাচ বাদে বাকি সব ম্যাচেই একাধিক গোল করেছিল ব্রাজিল। তবে নিয়মিত একাদশের বেশ কিছু খেলোয়াড়কে না পাওয়ায় কোচ তিতের কাজটা অতো সহজ হয়নি আজকের ম্যাচে। জিততে হয়েছে ন্যুনতম ব্যবধানেই।

শুরুতে বলের দখলে এগিয়ে থাকলেও ম্যাচের বয়স বাড়তেই চিলি চাপ বাড়াচ্ছিল ব্রাজিলের ওপর। বিরতিতে যখন গোলহীনভাবে যাচ্ছে দুই দল, তখন বলের দখলে পিছিয়েই পড়েছিল ব্রাজিল।

রিয়াল মাদ্রিদ ফরোয়ার্ড ভিনিসিয়াস জুনিয়রকে এদিন কোচ তিতে নামিয়ে দিয়েছিলেন প্রথম একাদশে। ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো ব্রাজিলের প্রথম একাদশের হয়ে খেলতে নেমে অবশ্য খুব একটা আশা দেখাতে পারেননি দলকে। তাই তাকে ব্রাজিল কোচ তুলে নিয়েছেন দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই। তার জায়গাতে মাঠে নামেন এভারটন রিবেইরো। সেই রিবেইরোই করলেন দলের একমাত্র গোলটা।




৬২ মিনিটে তিনিই বল বাড়িয়েছিলেন নেইমারকে। কিন্তু পিএসজি তারকার শটটা ঠেকিয়ে দেন চিলিয়ান গোলরক্ষক ক্লদিও ব্রাভো, তবে ফেরাতে পারেননি রিবেইরোর ফিরতি চেষ্টাটা। ফাঁকা জালেই বল জড়িয়ে দেন রিবেইরো। তাতে দল এগিয়ে যায় ১-০ গোলে।

শেষ দিকে নেইমার একটা সুযোগ পেয়েছিলেন ব্যবধান বাড়ানোর। গোলমুখ ছেড়ে বেরিয়ে এসেছিলেন ব্রাভো, তবে রক্ষণের চেষ্টায় নেইমারকে সে যাত্রায়ও গোলবঞ্চিত রাখে চিলি। তবে তাতে খুব একটা ক্ষতি হয়নি ব্রাজিলের, এক গোলের লিড যে ছিল আগেই।

তাতে সেলেসাওরা মাঠ ছাড়ে ১-০ গোলের জয় নিয়ে, ধরে রাখে কনমেবল বাছাইপর্বে নিজেদের অদম্য রূপটাও। সাত ম্যাচে খেলে সবকটিতে জিতে ২১ পয়েন্ট নিয়ে তারাই এখন আছে তালিকার শীর্ষে। সমান ম্যাচে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে আছে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা।