ভেনিজুয়েলাকে হারালো আর্জেন্টিনা ৩-১ গোলে




এর মাঝে ২৯তম মিনিটে মেসিকে বিপজ্জনক ফাউল করে বসেন লুইস মার্তিনেস। রেফারি প্রথমে হলুদ কার্ড দেখালেও পরে ভিএআরের সাহায্যে দেন লাল কার্ড।

প্রতিপক্ষ দলে একজন কম থাকার সুযোগে বিরতির আগে আরও চাপ বাড়ায় আর্জেন্টিনা। তিন মিনিট যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে গোলও পেয়ে যায় তারা। জিওভানি লো সেলসোর পাস ডি-বক্সে ফাঁকায় পেয়ে অনায়াসে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন লাউতারো মার্তিনেস।

৫৯তম মিনিটে বাঁ থেকে দি মারিয়ার ক্রসে মার্তিনেসের হেড অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। মাঝেমধ্যে প্রতি-আক্রমণে ওঠা ভেনেজুয়েলা আর্জেন্টিনা গোলরক্ষককে তেমন কোনো পরীক্ষাই নিতে পারছিল না। তবে ৬৭তম মিনিটে গোল পেতে পারতো দলটি; ফরোয়ার্ড সতেলদোর বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া শট একজনের পায়ে লেগে দিক পাল্টে পোস্ট ঘেঁষে বেরিয়ে যায়।

৬৩তম মিনিটে একই সঙ্গে লো সেলসো ও দি মারিয়াকে তুলে হোয়াকিন কোররেয়া ও আনহেল কোররেয়াকে নামান কোচ। দুজন গোলও পায় অল্প সময়ের ব্যবধানে।

৭১তম মিনিটে মেসির পাস পেয়েই লাউতারো মার্তিনেস বাড়ান হোয়াকিন কোররেয়াকে। বল পায়ে বিনা বাধায় ডি-বক্সে ঢুকে নিচু শটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন লাৎসিওর এই ফরোয়ার্ড।

তিন মিনিট পর স্কোরলাইন ৩-০ করে জয়টাও প্রায় নিশ্চিত করে ফেলেন আনহেল কোররেয়া। মার্তিনেসের শট গোলরক্ষক ঠেকালেও বল হাতে রাখতে পারেননি, ছুটে গিয়ে বল জালে পাঠান আতলেতিকো মাদ্রিদের হয়ে এবারের লা লিগায় তিন গোল করে আসা আনহেল।

বদলি নেমে শেষ দিকে ব্যবধান আরও বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিলেন দিবালা। তবে তার শট ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক ফারিনেস।

যোগ করা সময়ের চতুর্থ মিনিটে পানেনকা স্পট কিকে একটি গোল শোধ করেন সতেলদো। তিনি নিজেই বক্সে ফাউলের শিকার হলে দীর্ঘক্ষণ ভিএআরে দেখে পেনাল্টি ভেনেজুয়েলাকে পেনাল্টি দেন রেফারি।

বিশ্বকাপ বাছাইয়ে দুই ম্যাচ পর জয়ে ফিরল মেসিরা। কোপা আমেরিকায় অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আগে বাছাইয়ে চিলির সঙ্গে ১-১ ও কলম্বিয়ার সঙ্গে ২-২ ড্র করেছিল স্কালোনির দল।

সাত ম্যাচে চার জয় ও তিন ড্রয়ে আর্জেন্টিনার পয়েন্ট হলো ১৫।