ইন্সপেক্টর সোহেলকে দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে: আইজিপি

ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী-বিএসএফের হাতে আটক বনানী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সোহেল রানাকে দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ।

রোববার (৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নে তিনি এ কথা জানান।


আইজিপি বলেন, বিএসএফের হাতে আটক বনানী থানার পুলিশ পরিদর্শক শেখ মো. সোহেল রানাকে বন্দি বিনিময় চুক্তির মাধ্যমে দেশে ফেরত আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ভারতের সঙ্গে বন্দি বিনিময় চুক্তিও আছে। সেক্ষেত্রে তাকে সহসাই দেশে আনা সম্ভব হবে।

শুক্রবার (৩ সেপ্টেম্বর) বনানী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সোহেল রানাকে পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলার চ্যাংরাবান্ধা সীমান্ত এলাকা থেকে আটক করে বিএসএফের সদস্যরা। শনিবার (৪ সেপ্টেম্বর) সেখানকার স্থানীয় অনলাইন পোর্টাল উত্তরবঙ্গ সংবাদের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

ওই সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের অভিযোগে শুক্রবার কোচবিহার জেলার চ্যাংড়াবান্ধা সীমান্ত থেকে সোহেল রানা নামে এক বাংলাদেশিকে আটক করে বিএসএফ। তার কাছ থেকে বিদেশি পাসপোর্ট, একাধিক মোবাইল ও এটিএম কার্ড জব্দ করা হয়েছে।
জানা গেছে, গ্রাহকের ৭৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দেশীয় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-অরেঞ্জের কথিত পৃষ্ঠপোষক বনানী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সোহেল রানাসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। মামলার অন্য আসামিরা হলেন- প্রতিষ্ঠানটির মালিক সোনিয়া মেহজাবিন, তার স্বামী মাসুকুর রহমান, প্রতিষ্ঠানটির চিফ অপারেটিং অফিসার (সিওও) আমান উল্লাহ, নাজনিন নাহার বিথি, কাওসার, কামরুল হাসান, আব্দুল কাদের, নূরজাহান ইসলাম সোনিয়া ও রুবেল খান।

শনিবার (৪ সেপ্টেম্বর) গুলশান থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আমিনুল ইসলাম সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গত মঙ্গলবার (৩১ আগস্ট) ঢাকা মহানগর হাকিম মোর্শেদ আল মামুন ভূঁইয়ার আদালতে ইসতিয়াক হোসেন টিটু নামে এক ব্যক্তি সোহেল রানাসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলার আবেদন করেন। আদালত গুলশান থানাকে আবেদনটি এফএআর হিসেবে গ্রহণ করার নির্দেশ দেন। আমরা আদালতের নির্দেশে আবেদনটি এফএআর হিসেবে গ্রহণ করি। বর্তমানে মামলাটির তদন্ত চলছে।