দৌলতপুরে পাঁচ বছরের শিশু কন্যাকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে কিশোর গ্রেপ্তার

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ৫ বৎসরের শিশু কন্যাকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের খরিবোনা এলাকার বাসিন্দা তাহের আলীর ছেলে রাকিবুল (১৫) কে গ্রেফতার করেছে দৌলতপুর থানা পুলিশ

জানাযায় গত ২৮/০৮/২০২১ তারিখে বেলা ১১ টার দিকে একই এলাকার প্রতিবেশী মো: শাজাহান আলীর (প্রবাসী) বড় মেয়ে (৫ বৎসরের নাবালিকা) সপ্তসীকে টিভিতে কার্টুন দেখানোর প্রলোভন দিয়ে ধর্ষণ চেষ্টা করে।
সপ্তসীর মায়ের ভাষ্যমতে রাকিবুল শিশু কন্যা সপ্তসীকে কার্টুন দেখানোর প্রলোভন দেখিয়ে সপ্তসী ও সপ্তসীর ছোট বোন শোভাকে তার নিজ বাড়ির শয়ন কক্ষে নিয়ে যায়।

শয়ন কক্ষে নিয়ে যাওয়ার এক পর্যায়ে রাকিবুল সপ্তসীর ছোট বোন শোভার হাতে একটি লেবু কেটে খাওয়ার জন্য দেয় এবং সপ্তসীকে তার খাটের উপর শোয়াইয়া ধর্ষণ চেষ্টা করে।

এমন অবস্থায় সপ্তসী ও তার ছোট বোন শোভা চিৎকার চেঁচামিচি করলে অন্যান্য প্রতিবেশীরা ছুটে আসলে সপ্তসীকে রেখে রাকিবুল পালিয়ে যায়।

পরে বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানিয় মেম্বর সহ বেশ কিছু গণ্যমান্য ব্যাক্তি শালিসী মিমাংসার মাধ্যমে বিষয়টি সমাধানে আনার চেষ্টা করে।

এবং অর্থের প্রলোভন ও ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রশাসনকে জানাতে নিষেধ করে।

এ ব্যাপারে প্রতিবেদক অনুসন্ধানে গেলে একপর্যায়ে দেখা হয় রাকিবুলের মায়ের সাথে, প্রতিবেদক ধর্ষণ চেষ্টার ব্যাপারে জানতে চাইলে রাকিবুলের মা জানান, ঘটনা সত্য এবং ঘটনার পর পরেই আমি নিজেই সপ্তসীকে গ্রাম্য ডাক্তারের কাছে নিয়ে যায় এবং খাওয়ার জন্য ব্যাথা নাশক ঔসধ কিনে দেই।

 

কেন ব্যাথা নাশক ঔসধ কিনে দেওয়া হলো এমন প্রশ্নে রাকিবুলের মা জানায় ঘটনার পরে মেয়েটির গোপন অঙ্গ থেকে রক্ত ঝরতে ছিলো তাই তাকে ব্যাথা নাশক ঔসধ কিনে দেওয়া হয়।পরে সপ্তসীর মায়ের পা ধরে ক্ষমাও চাই রাকিবুল মা।

 

এ বিষয়ে দৌলতপুর থানার অফিসার ইন্চার্জ মোঃ নাসির উদ্দিন জানান,ধর্ষণ চেষ্টার শিকার হওয়া মেয়েটির মা বাদি হয়ে রাকিবুল কে অভিযুক্ত করে দৌলতপুর থানায় একটি লিখিত এজাহার জমা দিলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে গত বুধবার বিকেলের দিকে রাকিবুল নামে ঐ কিশোরকে আটক করে প্রাথমিক জিজ্ঞাসা বাদের পার আজ তাকে কুাষ্টিয়ার জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।