দামুড়হুদার পাটাচোরা গ্রা‌মে উপ‌জেলা প্রশাস‌নের নি‌র্মিত পার্কের শুভ উদ্বোধন

পার্কটি প্রন্তিক জনগোষ্ঠীর শিশুদের বিনোদনের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠবে – ডিসি নজরুল ইসলাম

দামুড়হুদায় প্রত্যন্ত অঞ্চলে ‘আমার গ্রাম, আমার শহর’ প্রকল্পের আওতায় পাঠাচোরা গ্রামে নব- নির্মিত পার্কটির শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।

শুক্রবার সকাল ১০ টার দিকে ‘আমার গ্রাম ,আমার শহর প্রকল্পে’র আওতায় উপজেলা পরিষদের তত্বাবধানে নির্মিত পাটাচোরা পার্কটির প্রধান অতিথি ও উদ্বোধক হিসেবে শুভ উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার।

 

উপজেলা নির্বাহী অফিসার দিলারা রহমান এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলি মুনছুর বাবু, চুয়াডাঙ্গা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এর উপ- পরিচালক কৃষিবিদ ড. আব্দুল মাজেদ, উপজেলা কৃষি অফিসার মনিরুজ্জামান, আব্দুল ওদুদ শাহ্ ডিগ্রি কলেজ এর অধ্যক্ষ কামাল উদ্দিন।

 

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন দামুড়হুদা প্রেসক্লাবের সভাপতি এম নুরুন্নবী, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মাসুম আব্দুল্লাহ, অভিজিৎ কুমার বিশ্বাস প্রমূখ।

শিশু ও ভ্রমণ পিপাসুদের নজর কাড়তে দামুড়হুদা উপজেলার সদর ইউনিয়নের পাটাচোরা গ্রামে পার্কটি দৃষ্টিনন্দন করে সাজানো হয়েছে। পার্কটি পেয়ে স্থানীয় শিশু – কিশোর ও অবিভাবকরা বেশ খুশি।

উপজেলা পরিষদের তত্বাবধানে ‘আমার গ্রাম, আমার শহর প্রকল্প’র আওতায় প্রায় দেড় বিঘা জমির উপর পার্কটি স্থাপন করা হয়েছে। ছুটির দিনগুলোতে অভিভাবকরা ঘরবন্দি শিশুদের নিয়ে ঘুরতে যেতে পারবেন এই বিনোদন কেন্দ্রে।

 

এই পার্কটি নির্মাণ হওয়ায় উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিশুরাও ভোগ করতে পারবে বি‌নোদন। পার্কটির ভিতরে রয়েছে পাঠাগার, রোপন করা হয়েছে বিভিন্ন প্রজাতির ঔষধী, ফলজ ও বনজসহ বাহারি সব ফুলের গাছ।শিশুদের জন্য রয়েছে হরিণ দোলনা প্রভৃতি বি‌নোদ‌নের রাইড। নির্মাণ করা হ‌য়ে‌ছে একাধিক টয়লেট ও নিরাপদ পানির ব্যবস্থা।

স্থানীয় অভিভাবকদের অনেকেই বলেন, প্রত্যন্ত অঞ্চলে এমন একটি পার্ক পেয়ে খুশি আমরা। এখা‌নে নিয়মিত সন্তানদের নিয়ে ঘুরতে আসবে। ‘আগে সন্তানদের নিয়ে জেলা শহর সহ বিভিন্ন পার্কে বেড়াতে যেতাম আমার। এখন বাড়ির কাছে পার্ক হওয়ায় সময় ও খরচ দুটোই বাঁচবে। পার্কটিতে রয়েছে ছেলেমেয়েদের খেলাধুলার সহ র‌য়ে‌ছে ম‌নোরম প‌রি‌বে‌শে বসার ব্যবস্থা।

পার্কটি উদ্বোধন কালে প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার বলেন, এমন সুবিধা সাধারণত শহুরে ছেলেমেয়েরা পেয়ে থাকেন। স্থানীয় সহ আশপাশের এলাকার ভ্রমণ পিপাসু সহ এখানকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা, বিনোদন ও শিশুদের মানসিক বিকাশের কথা মাথায় রেখে নির্মাণ করা হয়েছে পাটাচোরার এই পার্কটি। আজ বহুতল ভবন নির্মাণ ও শিল্প প্রতিষ্ঠা‌নের জন্য হারিয়ে যাচ্ছেন নগরীর মাঠ ঘাট। শিশুদের মানসিক ও শারিরীক বিকাশের জন্য প্রয়োজন রয়েছে এসকল বিনোদন কেন্দ্র । পার্কের সৌন্দর্য ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব দর্শনার্থী সহ আমাদের সকলের।

জেলা প্রশাসক আরও ব‌লেন, আ‌মি আশাবাদী আগামীতে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর শিশুদের বিনোদনের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠবে এই পার্কটি।