তৃতীয়বার ক্ষমতায় জাস্টিন ট্রুডো

কানাডার ৪৪তম পার্লামেন্ট নির্বাচনে জয়লাভ করেছে দেশটির ক্ষমতাসীন দল লিবারেল পার্টি। এর ফলে টানা তৃতীয় মেয়াদে কানাডার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হলেন জাস্টিন ট্রুডো। দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে জানা গেছে, জয়ের খবরে এক বক্তব্যে জাস্টিন ট্রুডো একে ‘ক্লিয়ার ম্যান্ডেট’ বলে উল্লেখ করেছেন।

অবশ্য লিবারেল পার্টি নির্বাচনে জয়লাভ করলেও একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি। মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানায় বার্তাসংস্থা এএফপি।

এদিকে কানাডার নির্বাচন কমিশনের বরাত দিয়ে বার্তাসংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর দল লিবারেল পার্টি ১৫৬টি আসনে হয় এগিয়ে রয়েছে না হয় জয়লাভ করেছে। অন্যদিকে ট্রুডোর প্রধান প্রতিপক্ষ এরিন ওটুলের কনজারভেটিভ পার্টি ১২২টি আসনে নেতৃত্ব দিচ্ছে।

নির্বাচনের প্রাথমিক ফলাফলের পাওয়া তথ্যে জাস্টিন ট্রুডোর লিবারেল পার্টি ১৫৬টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। যেখানে এককভাবে সরকার গঠনে যেকোনো দলকে কমপক্ষে ১৭০টি আসনে জয় পেতে হবে। অন্যদিকে, বিরোধী নেতা এরিন ও’টুলের রক্ষণশীল দল ১২১ এগিয়ে রয়েছে।

সংসদের ৩৩৮টি আসনে ভোটার দুই কোটি ৭০ লাখ। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার রাত ৯টা ৩০ মিনিটে ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। চলছে গণনা। এবার মেইলের মাধ্যমেও বহু ভোট পড়েছে।

এবারের ভোটে করোনা মহামারি ছাড়াও দেশের অর্থনীতি, আবাসন, জলবায়ু সঙ্কট, স্বাস্থ্যসেবার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোও ভোটারদের মনে দাগ কেটেছে। তবে ট্রুডো কতটুকু স্বাভাবিক পরিস্থিতি তৈরি করতে পারবেন সে শঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।

সদ্য শেষ হওয়া ভোটে সংসদে ৩৩৮ আসনের বিপরীতে ভোটার সংখ্যা ছিল ২ কোটি ৭০ লাখ। এককভাবে সরকার গঠন করতে প্রয়োজন কমপক্ষে ১৭০টি আসন।

আইনসভার নিম্ন কক্ষ হাউস অব কমন্সের ৪৪তম নির্বাচন এটি। আটটি রাজনৈতিক দল অংশ নিয়েছে এবারের নির্বাচনে। ৩৩৮ আসনের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন ২ হাজার ১০ জন প্রার্থী। চলতি এ নির্বাচনকে প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

করোনা মহামারিকালে জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়ায় আগাম নির্বাচনের ডাক দেন তিনি। তবে জনমত বলছে, একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে নির্বাচিত হবে না কোনো দল। ২০১৫ সাল থেকে কানাডার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন জাস্টিন ট্রুডো।